ব্রেকিং নিউজ

কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেলো পিতা-পুত্রের


ময়মনসিংহ সংবাদদাতা :

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ত্রিশাল উপজেলার বগার বাজার নামকস্থানে রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সড়কে দাড়িয়ে থাকা একটি কাভার্ড ভ্যানের পিছনে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় প্রাইভেটকার যাত্রী পিতা-পুত্রসহ ৩জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করে।

ত্রিশাল ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মহাসড়কে উপজেলার বগার বাজার ত্রিশাল-ভালুকা সীমান্তবর্তি এলাকায় সড়কের উপর দাড়িয়ে থাকা কাভার্ড ভ্যানের পিছনে ময়মনসিংহগামী একটি প্রাইভেটকার ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে যাত্রবাহী প্রাইভেটকারটি ধুমড়ে মুচড়ে যায় ও কাভার্ড ভ্যানটি উল্টে মহাসড়কের পাশে খাদে পরে যায়।

এসময় প্রাইভেটকার যাত্রী ভালুকা উপজেলার জামিদিয়া এলাকার বাসিন্দা ভালুকা সোনার বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক কামাল হোসেন খাঁন ওরফে কাদির মাষ্টার (৭০) ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে ত্রিশাল ও ভালুকা ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে আশংকাজনক অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

আহতরা হলেন, নিহত কামাল হোসেন খাঁন ওরফে কাদির মাষ্টারের ছেলে জুয়েল খাঁন (৪৫), বিপ্লব খান (৪০) ভাতিজা বাছির (৩৬) ও প্রাইভেটকারের চালক গোলাম রব্বানি (৩৩)। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে নিহত কামাল হোসেন খাঁন ওরফে কাদির মাষ্টার ছেলে জুয়েল খাঁন ও প্রাইভেটকারের চালক গোলাম রব্বানীর মৃত্যু হয়। প্রাইভেটকারের চালক গোলাম রব্বানী জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলার বাটাজোর উজানপাড়া গ্রামের মহব্বত আলীর ছেলে বলে জানাযায়।

স্থানীয় সজিব মিয়া জানান, নিহত ড্রাইভার গোলাম মাওলা রনি দীর্ঘদিন আমাদের বাসায় ভাড়া থাকতেন। তার বাংলাদেশ ও ভারতে দুটি সংসার ছিল, তার কাছে স্পেশাল কার্ড ছিলো ভারতে প্রবেশের জন্য, ভারতের এক নারীকে বিবাহ করেন, সেখানে এক ছেলে এবং বাংলাদেশে এক মেয়ে রয়েছে।

জামিদিয়া এলাকার বাসিন্দা আজিজুল হক জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি মামলার হাজিরা দিতে পিতা-পুত্রসহ ৫জন ময়মনসিংহ আদালতে হাজিরা দিতে যাচ্ছিলেন। একই পরিবারের পিতা-পুত্র নিহতের ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পরলে নেমে আসে শোকের ছায়া।

ত্রিশাল ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতের উদ্ধার করে আশংকাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করি। হতাহতরা একই পরিবারের সদস্য ছিল।

Comments

comments