ব্রেকিং নিউজ

ইইউ-বাংলাদেশ বিজনেস ডায়ালক, শ্রমিকরা এখন নিরাপদ কর্মবান্ধব পরিবেশে কাজ করছে-বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রতিবেদক:

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ক্রেতাদের পরামর্শ মোতাবেক দেশের তৈরী পোশাক কারখানাগুলো আধুনিক ও নিরাপদ করা হয়েছে। শ্রমিকরা এখন নিরাপদ ও কর্মবান্ধব পরিবেশে কাজ করছে। এ জন্য কারখানার মাকিদের বিপুল পরিমান অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়েছে। কিন্তু তৈরী পোশাকের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়নি, ইউরোর মূল্য পতনের ফলে তৈরী পোশাকের মূল্য কমেছে। মন্ত্রী বলেন, ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের চাহিদা মোতাবেক বাংলাদেশে মোট বিনিয়োগের পরিমান ৪০ ভাগ থেকে ৪৯ ভাগে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে করে বাংলাদেশে ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের বিনিয়োগ বাড়বে। ক্রেতাগোষ্টির সংগঠন অ্যাকোর্ড এর বাংলাদেশে কারখানা পরিদর্শনের মেয়াদ ২০১৮ সালের মে মাসে শেষ হবে, এর পর পরিস্থিতি বিবেচনা করে আলাপ আলোচনা করে পরবর্তী করনীয় নির্ধারণ করা হবে।
 
বাণিজ্যমন্ত্রী আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইউরোপিয়ন ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের মধ্যে “৩য় বিজনেস ক্লাইমেট ডায়ালগ”-এ সভাপতিত্ব করে এ সব কথা বলেন।
 
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের সাথে বাংলাদেশের এটা ৩য় ডায়ালগ, ২০১৬ সালের মে এবং ডিসেম্বর মাসে দু’টি ডায়ালগ হয়েছে। সেখানে ইমপোর্ট ডিউটি, কাস্টমস ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি, ঔষধ রপ্তানি, লাইসেন্স এবং বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক ও ট্যাক্স রিজিওম নিয়ে ৫টি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছিল, সেখানে সমস্যা চিহ্যিত করে, তা সমাধান করা হয়েছে। সামনের দিনগুলোতেও চলমান বাণিজ্য বিষয়ে যে কোন সমস্যা দেখা দিলে, তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। যুক্তরাজ্য ব্রেকজিট  কার্যকরের পরও বাংলাদেশের সাথে চলমান বাণিজ্যনীতির কোন পরিবর্তন হবে না। বাংলাদেশ মোট রপ্তানি বাণিজ্যের ৫৪ ভাগ ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের সাথে করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোনে ইউরোপিয়ন ইউনিয়ন এগিয়ে আসবে বলে আশা করছি।
 
ইউরোপিয়ন ইউনিয়ন ডেলিগেশন প্রধান অ্যাম্বাসেডর পিয়েরি মায়াডোন বলেন, বাংলাদেশের সাথে ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে। আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ আরো বাড়বে। বাংলাদেশের তৈরী পোশাক কারখানার মান অনেক উন্নত হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দারিদ্র বিমোচনে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।  
 
বিজনেস ক্লাইমেট ডায়ালগ এ ইউরোপিয়ন ইউনিয়ন ডেলিগেশনের নেতৃত্ব দেন অ্যাম্বাসেডর পিয়েরি মায়াডোন। বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত আলিসন ব্লাক(অষরংড়হ ইষধশব),  ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের পক্ষে ঢাকাস্থ স্পেনের অ্যাম্বাসেডর ডি. আলভেরো ডি সালাস জিমিনেজ ডি আজারাতে(উ. অষাধৎড় ফব ঝধষধং এরসবহবু ফব অুধপধৎধঃব),ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত  মিকায়েল হেমনিটিউইনথার ( গরশধবষ ঐবসহরঃর ডরহঃযবৎ), নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত লিওনি কুইলিনাইর(খবড়হর ঈঁবষবহধবৎব),ফ্রান্সের হেড অফ ইকোনমিক ডিপার্টমেন্ট ফ্রানকোইস পিটিট(ঋৎধহপড়রং চবঃরঃ), সুইডেনের কমাশিয়াল অফিসার তাজিন চৌধুরী। বাংলাদেশেল পক্ষে অন্যান্যের মধ্যে বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু, বিডার চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম, এনবিআর-এর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস-চেয়ারম্যান বিজয় ভট্রাচার্য্য, আমদানি-রপ্তানির প্রধান নিয়ন্ত্রক আফরোজা খান, জয়েন্টস্টক কোম্পানি এন্ড ফার্মসএর রেজিস্টার মো. মোশাররফ হোসেন।

 

Comments

comments