ব্রেকিং নিউজ

ঢাকার সিনেমায় শাকিব খান নিষিদ্ধ

শাকিব

বিনোদন ডেস্ক:

বিয়ে, সন্তান ও সিনেমা নিয়ে একের পর এক আলোচনা সমালোচনার জন্ম দিয়ে চলেছেন অভিনেতা শাকিব খান। সেসব আলোচনায় এবার যুক্ত হলো নতুন আরেকটি বিষয়। তবে এবারের বিষয়টির তীর খোদ শাকিবেরই বিরুদ্ধে। চলচ্চিত্র নির্মাতাদের নিয়ে গনমাধ্যমে সম্পর্কে আপত্তিজনক কথা বলায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি এ অভিনেতাকে সাময়িক বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে।এর আগে সমিতির আইনি পরামর্শক ব্যারিস্টার তানভীর আহমেদ শাকিবকে উকিল নোটিস পাঠিয়েছেন।

সোমবার বিকালে সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ ঘোষণা আসে।

অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে অভিনেতা শাকিব খান তার স্বামী ও সন্তানের পিতা— এ খবর প্রকাশ করলে গণমাধ্যমে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এ সময় শাকিব খান প্রথমে অপু বিশ্বাসের সঙ্গে বিয়ের কথা অস্বীকার করেন, কিন্তু সন্তানটি তার স্বীকার করে নেন। পরে এ নিয়ে বিবৃতি-পাল্টা বিবৃতির ঘটনা চলতে থাকে।অভিনেত্রী বুবলিও ত্রিমুখী সম্পর্কের তৃতীয় কুশীলব হিসেবে হাজির হন— এ রকম নাটকীয় পরিস্থিতি চলচ্চিত্রজগতের কারো কারো মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়।

এতে বলা হয়, সম্প্রতি শাকিব খান জাতীয় পত্রিকা ও মিডিয়াতে চলচ্চিত্র পরিচালকদের উদ্দেশ্য করে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ায় সমিতির ভাবমূর্তি ও সদস্যদের সম্মান রক্ষায় কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তে তার বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

এর সম্মানজনক সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত তাকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ সংক্রান্ত সব ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য চলচ্চিত্র নির্মাতাদের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে।

পরে বদিউল আলম খোকন বলেন, ‘শাকিব একের পর এক গণমাধ্যমে আমাদের নামে আজেবাজে কথা বলা যাচ্ছে। আমরাই শাকিবকে আজকের অবস্থানে এনেছি। শাকিব এখন আমাদের বিরুদ্ধেই কথা বলছে। আমাদের মানহানি হয়েছে। আমরা শাকিবকে নিয়ে আপাতত সিনেমা বানাচ্ছি না।’

নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকাকালীন সময়ে পরিচালকদের কেউ তাকে নিয়ে সিনেমা সংশ্লিষ্ট কোনো কাজ করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবেও জানান বদিউল আলম খোকন।

এদিকে, নোটিশের বিষয়ে শাকিব খান বলেন, ‘আমি উকিল নোটিশের জবাব দেব। পরিস্থিতি ওরা জটিল করতে চাইছে।’ পরে এ নিয়ে আর মন্তব্য করতে রাজি হননি ঢাকাই সিনেমার এ তারকা।

উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল দেশের একটি দৈনিক পত্রিকায় দেয়া সাক্ষাৎকারে শাকিব খান বলেন, ‘এখন যেহেতু বেশি সিনেমা হচ্ছে না, তাই বেকার লোকের সংখ্যাও বেশি।পরিচালক সমিতির তালিকা দেখবেন, অনেক পরিচালক। তারা এফডিসিতে আড্ডাও মারছেন। কিন্তু কাজ করছেন কতজন? প্রযোজকের ক্ষেত্রেও দেখবেন একই অবস্থা। শিল্পীদের ক্ষেত্রেও তাই। অনেক শিল্পী তো নিবন্ধিত আছেন, কাজ করছেন কতজন? আর এ সব নিয়েই আবার নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়।

 

Comments

comments