ব্রেকিং নিউজ

তিন পৌরসভা ও ১৪ ইউপিতে ভোটগ্রহণ চলছে

নির্বচন

প্রতিবেদক:

দেশের তিনটি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। একইসঙ্গে ছয়টি জেলা পরিষদের ও দুটি পৌরসভার বিভিন্ন পদে উপনির্বাচনেও ভোটগ্রহণ চলছে। আজ মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে শুরু হওয়া এ ভোটগ্রহণ চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে এসব নির্বাচনী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটও মাঠে রয়েছে।

এদিকে আজ মঙ্গলবার সকাল নয়টা পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় সহিংসতা ও কোনো ধরনের বিচ্ছিন্ন ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

যেসব পৌরসভায় ভোট চলছে: আজ তিনটি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এগুলো হলো- মেহেরপুর জেলার মেহেরপুর পৌরসভা, সিলেটের বিয়ানীবাজার ও গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর। এ তিন পৌরসভায় আওয়ামী লীগ-বিএনপি প্রার্থীসহ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী মেয়র পদে নির্বাচন করছেন।

যেসব ইউপিতে ভোট হচ্ছে: আজ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ১৪ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হচ্ছে। নির্বাচন কর্মকর্তাকে মারধরের কারণে গত বছর স্থগিত করা হয় বাঁশখালীর ইউপি নির্বাচন।

ভোট হচ্ছে ৬ জেলা পরিষদেও:  ছয় জেলা পরিষদের বিভিন্ন পদে ভোটগ্রহণও হচ্ছে আজ। সকাল নয়টা থেকে শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ চলবে দুপুর দুইটা পর্যন্ত। এদের মধ্যে বগুড়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে, সিলেটের ৮ নং সাধারণ ওয়ার্ডে, নরসিংদীর ৯ নং সাধারণ ওয়ার্ডে, গাইবান্ধায় ১০ নং সাধারণ ওয়ার্ডে, যশোরের ৩ নং সাধারণ ওয়ার্ডে এবং কুষ্টিয়ার ১ নং সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য পদে ভোটগ্রহণ চলছে।

ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে নির্বাচন কর্মকর্তা স্থানীয় এমপির হাতে মারধরের শিকার হওয়ার পর উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদের ভোট স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। সেই সঙ্গে উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামকে মারধরের অভিযোগে এমপি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলাও করে ইসি।

ইসি জানিয়েছে, গত বছর ৪ জুন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ‘ফর্দ অনুযায়ী’ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ‘নিয়োগ না দেওয়ায়’ এমপি মোস্তাফিজুর রহমান ও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা ওই নির্বাচন কর্মকর্তাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে মারধর করেন। গত বছর ষষ্ঠ ও শেষ ধাপে ৪ জুন সারা দেশে সাত শতাধিক ইউপির মধ্যে বাঁশখালী উপজেলায় ১৪টি ইউপিতে ভোট হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে তিনটি ইউপির ভোট ঘূর্ণিঝড়ের কারণে স্থগিত করেছিল কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বধীন কমিশন। আর কর্মকর্তা মারধরের ঘটনায় বাকি ১১ ইউপির ভোটও স্থগিত করা হয়।

Comments

comments