ব্রেকিং নিউজ

সিরিয়ায় মার্কিন আগ্রাসন মোকাবেলায় রাশিয়া-ইরানের যৌথ কমান্ড

 iran

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় ক্ষেপনাস্ত্র হামলার বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট আসাদকে রক্ষা করতে রাশিয়া ও ইরানের সেনাবাহিনীর জয়েন্ট কমান্ড সেন্টার’ গঠন করেছে। রোববার সেই যৌথবাহিনী আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, শুক্রবার (৭ মার্চ) সিরিয়ায় হামলা চালিয়ে ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করে ফেলেছে ওয়াশিংটন। এরপর আরেকটি বোমা সিরিয়ায় পড়লে যৌথবাহিনী বাধ্য হবে পাল্টা হামলা চালাতে। এছাড়া, সিরিয়ায় মার্কিন আগ্রাসন আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করেছে বলেও এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ক্রেমলিন।

সিরিয়ার সরকারি চ্যানেল ইলাম আর হারবিতে এক বিবৃতিতে যৌথবাহিনী জানিয়েছে, 'সিরিয়ার বুকে মার্কিন আগ্রাসন সহ্যের সীমা অতিক্রম করে গিয়েছে। এবার থেকে যেকোনো হামলার পাল্টা হামলা চলবে। ' যৌথবাহিনী আরও জানিয়েছে, আমেরিকা জানে রুশ ও ইরানের অস্ত্রভাণ্ডারে কী কী অস্ত্র রয়েছে। টোমাহকের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্রও যে যৌথবাহিনীর কাছে রয়েছে, সে কথাও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই বিবৃতিতে। এদিকে, ইতিমধ্যেই সিরিয়ার শয়রত বিমানঘাঁটিতে মার্কিন হামলার জেরে কঠোর অবস্থান নিয়েছে রাশিয়া। ক্ষেপণাস্ত্রে সজ্জিত রণতরী সিরিয়া উপকূলে মোতায়েন করা হয়েছে।  

ক্রেমলিন সূত্রে জানা গিয়েছে, সিরিয়া উপকূলে ছয়টি রুশ রণতরী মোতায়েন রয়েছে। তাদের সঙ্গেই যোগ দিয়েছে ফ্রিগেট অ্যাডমিরাল গ্রিগরোভিচ। ওই রণতরীতে ক্যালিবার ত্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। যা টোমাহক ক্ষেপণাস্ত্রেরই রুশ সংস্করণ বলা চলে। এর আগেও সিরিয়ায় ওই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে। মস্কোর এক নামী সামরিক বিশেষজ্ঞ ফিওদর লুকিয়ানভের মতে, এই পেশিশক্তির আস্ফালন অবাঞ্ছিত পরিস্থিতি তৈরি করছে। সিরিয়ায় রুশ-মার্কিন সংঘর্ষ হলে পরিণতি ভয়ঙ্কর হতে পারে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সময়ে সিরিয়ার স্বৈরাচারী প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে নতজানু করতে লাগাতার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার নির্দেশেই বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন মার্কিন রণতরী থেকে দফায় দফায় ৫৯টি টোমাহক ত্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয় সিরিয়ার শায়রত বিমানঘাঁটিতে। তবে আমেরিকাকে পাল্টা হুমকি দিয়ে আসাদ বলেছেন, 'সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে মার্কিন নৌ ও বিমানবাহিনীকে। আমেরিকা যেন মনে রাখে সিরিয়া ইরাক বা আফগানিস্তান নয়। ' আর এই হামলার পরই আসাদকে বাঁচাতে আসরে নামে রাশিয়া ও ইরান

Comments

comments