ব্রেকিং নিউজ

টেকনাফে লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র এখনও উদ্ধার হয়নি

anser camp=thebdexpress

দ্য বিডি এক্সপ্রেস ডটকমঃ

টেকনাফে আনসার ক্যাম্প হামলার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য, তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে লুট হওয়া অস্ত্র এখনও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার তদন্তে পুলিশের পাশাপাশি কাজ করছে বিজিব ও র‌্যাব।

গত বৃহস্পতিবার টেকনাফের শালবন ব্যাটলিয়নের এই আনসার ক্যাম্পে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। গুলি করে হত্যা করা হয় আনসার কমান্ডার আলী হোসেনকে। লুট হয় ১১টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৬৭০ রাউন্ড গুলি।

ঘটনার পর থেকেই জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী।গতকাল শনিবার নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে আটক করা হয়েছে দুই নারীকে। এরআগে সদর হাসপাতাল থেকে, আটক করা হয় মোহাম্মাদ আমিন নামের এক ব্যক্তিকে।

চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজ শফিকুল ইসলাম জানান, “রোহিঙ্গাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান আর্মি এ ঘটনায় জড়িত বলে ধারণা করছেন পুলিশ। ঘটনার পর দুর্গম পাহাড়ে দুর্বৃত্তরা আত্নগোপন করেছে বলেও তথ্য আছে পুলিশের কাছে। ”

টেকনাফ উপজেলা আনসার-ভিডিপি অফিসার মোস্তফা কামাল জানান, টেকনাফের হ্নীলা নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শালবাগানে দায়িত্বরত ২৯তম ব্যাটালিয়ানের আনসার ব্যারাকে ১৫ জন আনসার সদস্য থাকার কথা। ঘটনার রাতে ছিল নয়জন। লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে দুটি এসএমজি, ৯টি রাইফেল এবং ৬৭০টি গুলি।

এ ব্যাপারে নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আনসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। তিনি জানান, লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে।

বছর খানেক আগে নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে আনসার সদস্যদের সঙ্গে সশস্ত্র রোহিঙ্গা ডাকাতদলের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় রোহিঙ্গা ডাকাতসর্দার আবদুল হাফেজ আনসার সদস্যদের গুলিতে নিহত হন। সেদিনের ঘটনায় আহত হয়েছিল রফিক নামে অপর এক রোহিঙ্গা ডাকাত। সে নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের ডি ব্লকের বাসিন্দা। গতকালকের হামলার ঘটনায় এই রফিকও ছিল বলে চিনতে পেরেছেন স্থানীয় আবদুল আমীন।

Comments

comments