ব্রেকিং নিউজ

১০ মাসে রপ্তানি ২৭ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি

doller-thebdexpress

দ্য বিডি এক্সপ্রেস ডটকমঃ

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো-ইপিবি রপ্তানির হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায়, ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-মে) বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ দুই হাজার ৮১৪ কোটি ৪৪ লাখ (২৮ দশমিক ১৪ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছে।

গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে এই আয় প্রায় ৩ শতাংশ বেশি। তবে এ সময়ে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ শতাংশ রপ্তানি আয় কম এসেছে দেশে।

সর্বশেষ মে মাসে গত বছরের মে মাসের চেয়ে রপ্তানি আয় বাড়ে সাড়ে ৪ শতাংশ। অর্থবছরের শেষ মাস জুনেও রপ্তানি আয় বাড়বে বলে প্রত্যাশা করছেন ইপিবি ভাইস চেয়ারম্যান শুভাশিষ বসু।

টানা তিন মাসের সহিংস রাজনীতি, ইউরোর দরপতনসহ নানা বাধা-বিপত্তির মধ্যেও রপ্তানি আয়ে ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধিকে ‘ইতিবাচক’ হিসেবেই দেখছেন অর্থনীতির গবেষক জায়েদ বখত।

ইপিবির তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি দিয়ে শুরু হয় অর্থবছর। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ রপ্তানি আয় কম এসেছিল।
প্রথম চার মাসে অর্থ্যাৎ জুলাই-অক্টোবর সময়ে রপ্তানি আয় কম ছিল ১ শতাংশ। তবে তার পর থেকেই রপ্তানি আয় বাড়তে থাকে। জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

এপ্রিল মাসে গত বছরের চেয়ে ৫৫ শতাংশ রপ্তানি আয় কম এলেও দশ মাসের (জুলাই-এপ্রিল) হিসাবে প্রবৃদ্ধি ছিল ২ দশমিক ৬৩ শতাংশ। সর্বশেষ মে মাসে ৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হওয়ায় জুলাই-মে সময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৮০ শতাংশ।

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত পোশাক শিল্পের মালিক-উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সভাপতি আতিকুল ইসলাম বলেন, “রানা প্লাজা এবং তাজরিন গার্মেন্টসের ভয়াবহ দুর্ঘটনার পরও আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছিলাম। ২০১৪ সাল ভালোই গিয়েছিল। কিন্তু ২০১৫ সালের শুরুতেই শুরু হয় সহিংসতা।”

এর প্রভাব এখন দৃশ্যমান হচ্ছে জানিয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, “তিন মাসের সহিংসতায় বাংলাদেশের ‘ইমেজ’ নষ্ট হয়েছে। তারপরও ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছি আমরা।

Comments

comments