ব্রেকিং নিউজ

শিক্ষকদের আন্দোলনে জাবিতে ১৯টি পরীক্ষা স্থগিত

jahangirnagar-thebdexpress

প্রতিবেদক।।

স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের দাবিতে চলমান শিক্ষকদের আন্দোলনে দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় সহ প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এ ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।

শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের আওতাধীন ১০টি বিভাগ এবং দুইটি অনুষদের প্রায় ১৯টি চূড়ান্ত পরীক্ষা ১১ জানুয়ারি থেকে স্থগিত করা হয়েছে।শিক্ষদের স্বতন্ত্র পে-স্কেল চালু ও গ্রেড বৈষম্য নিরসন করার দাবিতে শিক্ষকরা অনিদিষ্টকালের ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছে।

এছাড়া জানুয়ারি মাসে আন্দোলন চলতে থাকলে আরো ৬টি বিভাগের বিভাগের চূড়ান্ত পরীক্ষা আরম্ভ হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘমেয়াদী সেশনজটের আশঙ্কা করেছেন।
শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণে স্থগিত করা হয়েছে সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের আওতাধীন নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষ, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের প্রথম বর্ষ এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের প্রথম বর্ষের পরীক্ষা।

কলা ও মানবিক অনুষদের আওতাধীন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের প্রথম বর্ষের, একই বিভাগের এমফিল ও পিএইচডির, বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ও দ্বিতীয় বর্ষের এবং এমফিল ও পিএইচডির। 
গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদের গণিত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের, পরিসংখ্যান বিভাগের প্রথম বর্ষেরর পরীক্ষা বন্ধ আছে।
বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের। জীববিজ্ঞান অনুষদের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের পিএইচডি ও মাস্টার্সের পরীক্ষা। 
এছাড়া ইন্সটিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির দ্বিতীয় বর্ষের, ইন্সটিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষাও স্থগিত আছে।
জানুয়ারি মাসে আন্দোলন চলতে থাকলে লোক-প্রশাসন বিভাগের প্রথম বর্ষের ও অর্থনীতি বিভাগের প্রথম বর্ষের, ফার্মেসী বিভাগের, ইতিহাস বিভাগের চতুর্থ বর্ষের, নৃবিজ্ঞান বিভাগের এমফিলের এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
নাজমুল নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘শিক্ষকদের আন্দোলনের বলি হচ্ছি আমরা। শিক্ষকরা মন্ত্রীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করতে পারেন।’
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোহাম্মদ মাফরুহী সাত্তার বলেন, ‘আমরা বুঝতে পারছি ছাত্রদের অনেক ক্ষতি হচ্ছে, কিন্তু আমাদের আর কিছু করার ছিল না। শিগগিরই একটা সমাধান দরকার।’

Comments

comments