ব্রেকিং নিউজ

বন্ধুত্বের ছোঁয়ায় প্রাণবন্ত জবি ক্যাম্পাস

আড্ডার ফাঁকে সেলফি

আশরাফুল ইসলাম :

কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই, কোথায় হারিয়ে গেল সোনালি সে দিনগুলো, হতেও পারে এই দেখা শেষ দেখা, হতেও পারে এই গান শেষ গান-এসব গানের তাল, গল্প, সেলফি, আড্ডা আর ফেসবুকের চ্যাটিংয়ের ভরপুর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

থেমে নেই বিতর্কে শাণিত চৈতন্যের পরস্পরের যুক্তির প্রতিযোগিতা। আড্ডার মধ্যেও থেমে নেই শিক্ষার্থীদের গ্রুপ স্টাডি। বিশ্ববিদ্যালয়ে গতানুগতি চলবে ডিগ্রি অর্জন, আর ক্লাস-পরীক্ষায় সীমাবদ্ধ তা ভাবাও কঠিন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে আড্ডা, গান, গানের তালে নাচ, প্রযুক্তির সঙ্গে জোড় দৌড় ও জাতীয় ইস্যু নিয়ে খোলা আলোচনা। সব মিলে বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে সাংস্কৃতিক বলয় থাকবে না তাতো আর হয় না।

ক্যাম্পাসে বিভিন্ন আনাচে-কানাচে শিক্ষার্থীদের ছড়ানো ছিটানো আড্ডা, লাল চায়ে চুমুক আর ল্যাপটপ-আইপ্যাটের স্কিনে চোখ বুলানো, মন খোলা গল্প। সব কিছুতেই যেন রয়েছে বন্ধুত্বের ছোঁয়া। অকৃত্রিম নির্মলতা। এসবের মাঝে শিক্ষার্থীরা সুযোগ পায় নিজেকে নিজের মতো করে সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের। 

পুরান ঢাকার সদরঘাটের অদূরে এই ক্যাম্পাসটিতে ছিল-বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন, অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, বিখ্যাত কণ্ঠ শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু, অভিনেতা জাহিদ হাসান, রাজনীতিবিদ কাজী ফিরোজ রশীদ ও ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনের শৈশব পদচারণা।

মাত্র ১১ একর জায়গায় অবস্থিত সমস্ত ক্যাম্পাসটি ওয়াইফাই জোনের অন্তর্ভূক্ত। তথ্য-প্রযুক্তি ও ইন্টানেটের গতিতে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীরা সমৃদ্ধ করেছে নিজেদের মেধা ও মননশীলতা। বন্ধুত্বের বন্ধন যেন চির অটুট। চিড় না ধরা সহায়-সহানুভূতির বন্ধুত্ব। কেউ কাউকে হারাতে চান না নিজের চোখের অগোচরে।
 

Comments

comments