ব্রেকিং নিউজ

পুলিশি হেফাজতে আসামির মৃত্যু, ২ কনস্টেবল বরখাস্ত

বগুড়া

বগুড়া প্রতিনিধি।।

বগুড়ায় একটি সাধারণ মামলায় গ্রেফতারের পরই পুলিশি হেফাজতে আসামি মৃত্যুর ঘটনায় ২ পুলিশ সদস্যকে আটক ও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আসামির মৃত্যুর ঘটনায় গ্রামবাসি দুই পুলিশ সদস্যকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে তাদের আটক করায় পরিস্থিতি শান্ত হয়।

গাবতলী উপজেলার বালিয়াদিঘী ইউনিয়নের দড়িপাড়া গ্রামের মৃত আজিজার রহমান কুড়ানুর ছেলে মোখলেছার রহমানের সঙ্গে কিছুদিন আগে তারই ছোটভাই মজনুর একটি বাঁশ কাটা নিয়ে বিরোধ হয়। এই ঘটনায় মজনু গত ১৪ অক্টোবরে গাবতলী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে। এরই প্রেক্ষিতে থানার এএসআই আব্দুস সবুর কনষ্টেবল আব্দুর রহমান (গাড়ী চালক)কে নিয়ে উপজেলার দড়িপাড়া গ্রামে অভিযান চালায়। সেখানে মোখলেছারকে না পেয়ে ওই দুই পুলিশ বাদীর তথ্যমতে ও সহায়তায় একই উপজেলার মড়িয়া গ্রামে মমিন কবিরাজের বাড়ীতে গিয়ে মোখলেছারকে আটক করে।
পুলিশের বেদম মারপিটে মোখলেছার ঘটনাস্থলেই মারা যান বলে নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করে। মোখলেছার রহমানের মারা যাওয়ার খবর মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জনগন ওই দুই পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে। ঘটনার তিন ঘন্টা পর বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল, সিনিয়র এএসপি সাব্বির আহম্মেদ সরফরাজ, ম্যাজিষ্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম ও থানার ওসি রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বে শতাধিক পুলিশ, ডিবি ও আর্মড ব্যাটালিয়ান ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই পুলিশকে জনতার কাছ  থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ  মোকলেছুর রহমানকে পাশের ছয়মাইল গ্রাম থেকে আটক করে।  আটকের পর আসামিকে বেদম মারপিট করায় ঘটনাস্থলেই আটক মোকলেসুর রহমানের মৃত্যু হয়। ২ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত ও আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে
 ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

Comments

comments