ব্রেকিং নিউজ

ঢাবি প্রশাসনকে ছাত্রলীগের ১৯ দফা

ছাত্রলীগ

ঢাবি প্রতিনিধি:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারন ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি সমূহ পুরণের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে ১৯ দফা দাবি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ।
সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দাবিগুলো তুলে ধরেন ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতি আবিদ আল হাসান। তিনি লিখিত বক্তব্যে দাবিগুলো তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-
বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ছাত্রাবাসগুলোর মানসম্মত খাবার পরিবেশন ও ক্যান্টিনের পরিস্কার পরিচ্ছনতা রক্ষা করা এবং খাবারের মান অনুযায়ী যথাযথ মূল্য নির্ধারন করা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক বিভাগের শ্রেণী কক্ষগুলোতে শিক্ষা সরঞ্জাম, ডিজিটাল বোর্ড স্থাপন, প্রজেক্টর ও কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন, সুপেয় পানি ও পয়:নিষ্কাষন ব্যবস্থার উন্নয়ন করা।  
ঢাাবির প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে স্বল্পমূল্যে এবং সহজ কিস্তিতে ল্যাপটপ প্রদানের সুবিধা নিশ্চিত করা।
প্রত্যেক ল্যাবরেটরিতে সর্বাধুনিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি সরবরাহ ও স্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা।
ঢাবি  ক্যাম্পাসকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সহায়তায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ একাডেমিক ও আইনানুগ ব্যবস্তা গ্রহণ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্কার পরিচ্ছনতার অংশ হিসেবে বিভিন্ন মোর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডাস্টবিন স্থাপন ও সাধারন শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা।
প্রত্যেক আবাসিক হলের পারিপাশ্বিক পরিবেশ উন্নয়নে নিয়মিত মশা ও ছারপোকা নিধন ও পয়:নিষ্কাসন ব্যবস্থার যথাযথ উন্নয়ন করা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও প্রতিটি আবাসিক হলকে ওয়াইফাই জোনের আওতাভূক্ত করা।
ঢাবির প্রতিটি গ্রন্থাগারকে আধুনিকিকরণ করা ও যুগোপযোগী পাঠ্য বই, মুক্তিযুদ্ধের উপর রচিত বইয়ের সংগ্রহ বৃদ্ধি করা।
ঢাবির সকল শিক্ষার্থীদের শারিরীক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলার মাঠ নিয়মিত পরিচর্যা করা ও মাঠগুলোকে ভাড়া প্রদান বন্ধ নিশ্চিত করা এবং বিভিন্ন সময়ে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের আয়োজন করা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের যথাযথ ব্যবস্থা ও ভূমিকা গ্রহণ করা এবং আবাসিক হলগুলোর শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় সি সি টিভি সংযুক্ত করা।
ইভটিজিং প্রতিরোধে যৌননিপীড়ন বিরোধী সেল এর ভূমিকা তরান্বিত করা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ও পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং মেয়েদের হলগুলোতে যাতায়াতের জন্য পর্যাপ্ত পরিবহনের ব্যবস্থা করা।
বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারকে আধুনিকীকরণের মাধ্যম পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ২৪ ঘণ্টা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ব্যবস্থা করা।
শিক্ষার মান উন্নয়নে বিভিন্ন বিষয়ের উপর গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন ও সাধারন শিক্ষার্থীদের গবেষণায় অংশগ্রহণে উৎসাহ প্রদান করা।
গরীব ও মেধাী শিক্ষার্থীদের বৃত্তির সংখ্যা বৃদ্ধি করা এবং উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে মেধাবীদের বিদেশ গমনে সহায়তা করা।
ক্যাম্পাসের ভেতরে ভাড়াই চালিত বাস ও ট্রাক চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা এবং অবৈধ স্থাপন উচ্ছেদের ব্যবস্থা করা।
পুরাতন হলগুলো অতিদ্রুত  সংস্কার করে সাধারন শিক্ষার্থীদের বসবাসের উপযোগী করে তোলা।
বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন আবাসিক হল ও বিভিন্ন স্থানের দুরত্ব অনুযায়ী যথাযথ রিক্সা ভাড়া নির্ধারণ করা।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ, সাধারন সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন,  ঢাবি সাধারন সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স।

Comments

comments