ব্রেকিং নিউজ

সিটি নির্বাচন নিয়ে নতুন ঘোষণা দিতে পারে বিএনপি

খালেদা জিয়াপ্রতিবেদকঃ সরকার দলীয় লোকজনদের অব্যাহত হুমকি ভয় ভীতি প্রদর্শনের পেক্ষিতে তিন সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে শংকিত বিএনপি। তাদের প্রার্থীদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন বৈষম্যমূলক আচরণ করছে এবং বেগম খালেদা জিয়ার প্রচারণার উপর নির্বাচন কমিশন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তাকে প্রচারণা থেকে চিঠি দিয়ে বিরত থাকারও কথা বলেছে।

তার উপর গত সোমবার থেকে বুধবার হামলার ঘটনায় অনেকেই চিহ্নিত হওয়ার পরও কমিশন কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায়, তাদেরকে কোন চিঠি না দেওয়ায়, সরকারের তরফ থেকেও দোষীদের কাউকে গ্রেফতার না করায় ও খালেদার উপর হামলার ঘটনায় কোন তদন্ত কমিটি না করায় বিএনপি হতাশ। কমিশনের কাছে বার বার বিএনপি নেতারা সেনা মোতায়েন করার দাবি জানানোর পরও তা না করায় বিএনপি সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই নতুন ঘোষণা দিতে যাচ্ছে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া রোববার এই ঘোষণা দিতে পারেন বলে বিএনপির সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপির চেয়ারপারসনের ঘনিষ্ট একজন উপদেষ্টা অভিযোগ করেন, নির্বাচনে ভোটারদের যারা বিএনরি সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করছেন তাদেরকে ভয় ভীতি দেখাচেছ সরকারি দলের অঙ্গসংগঠনের নেতা, কর্মীরা। পোলিং এজেন্ট পর্যন্ত হতে দিচ্ছে না। এই সব কমিশন জানে। এরপর কিছু করছে না। কমিশন এখনও পর্যন্ত সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না করার কারণে কমিশনের উপর অনাস্থা আনার কথা ভাবছে বিএনপি। সেই সঙ্গে নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত তারা থাকবে কি না এ বিষয়েও হাইকমান্ড সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

বিএনপির চেয়ারপারসন প্রচারণা করতে না পারায়, তার উপর হামলা, নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসাবে বেশির ভাগ সরকারি দলের সর্মকদের নিয়োগ করায়, বিএনপির প্রার্থীরা পোলিং এজেন্ট নিয়োগ করতে না পারায় ও তাদেরকে ভয়ভীতি দেখানো সহ বিভিন্ন কারণ তুলে ধরে আজই ঘোষণা দিবেন খালেদা জিয়া।

সরকার ইতোমধ্যে বুঝে গেছে যে বিএনপির সমর্থিত প্রার্থীরা নির্বাচনে জয়ী হতে যাচেছ। আর সেটা মনে করেই এখন যে কোন ভাবে বিএনপি চেয়ারপারসনকে ঠেকাতে চাইছে। সরকারই বলছে তিনি এখন কোন ভাবেই ক্ষমতার অংশীদারী নন। তিনি সরকারের ও বিরোধী দলে নেই এই জন্য তার জন্য আলাদা করে বাড়তি কোন নিরাপত্তা তিনি পাবেন না। প্রটোকল অনুযায়ী পাবেন না। যেখানে সরকার তার পুলিশ পর্যন্ত তুলে নিয়েছে। তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর কোন সদস্য পান না এই অজুহাতে।

তিনি যখন নির্বাচনী প্রচারণায় নামছেন তখন সরকারি দলের নেতারা তার উপর হামলা করছেন। আবার পাল্টা মামলা করছেন। অন্য দিকে তাকে নির্বাচন কমিশন চিঠি দিয়ে প্রচারণায় তাকে বিরত থাকতে বলছেন। আমাদের কাছে এই সব বিষয়গুলো সন্দেহজনক লাগছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) বলেন, আমাদের নেত্রীকে প্রচারণায় বাঁধা দেওয়া হয়েছে। তার উপর হামলা করা হয়েছে। এটা ন্যাক্কারজনক ঘটনা। এই সরকার গণতন্ত্রকে ব্যাহত করছে।

Comments

comments