ব্রেকিং নিউজ

ঐতিহাসিক সিরিজ জয় বাংলাদেশের

খেলা ৭প্রতিবেদকঃ দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় করলো বাংলাদেশ।  টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করেছেন তামিম ইকবাল। আর তার এই ৬ষ্ঠ ওয়ানডে সেঞ্চুরির ওপর ভর করে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো কোনো ক্রিকেট সিরিজ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। রবিবার দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১১৬ রান করেছেন তামিম। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৫ রান করেছেন মুশফিক।

এর আগে বাংলাদেশ সফরে এসে দুবার স্বাগতিকদের হোয়াইটওয়াশ করেছিল পাকিস্তান। এবার বাংলাদেশের পালা। শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে হারাতে পারলে হোয়াইটওয়াশের স্বাদ পাবে টাইগাররা। পাকিস্তান হয়ে যাবে ‘বাংলাওয়াশ’। ২০০১ ও ২০১১ সালে বাংলাদেশ ৩-০ তে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল। ২২ এপ্রিলের ম্যাচে পাকিস্তানকে হারাতে পারলে একটি বদলা নেওয়া হবে বাংলাদেশের।

প্রথম দু্ই ম্যাচেই জয় পাওয়ায় এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ।

রবিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে দিবারাত্রির এই ম্যাচে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৩৯ রান সংগ্রহ করেছে পাকিস্তান। সর্বোচ্চ ৭৭ রান করে অপরাজিত থেকেছেন সাদ নাসিম। এ ছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫১ রান করে অপরাজিত ছিলেন ওয়াহাব রিয়াজ।

বাংলাদেশের পক্ষে ২টি উইকেটি নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। এ ছাড়া ১টি করে উইকেট নিয়েছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা, আরাফাত সানি, রুবেল হোসেন ও নাসির হোসেন।

সকালে টস জিতে আগে ব্যাটিং করেছে পাকিস্তান। তবে বাংলাদেশী বোলারদের ধারালো বোলিংয়ে ক্ষতবিক্ষত হতে হয়েছে পাকিস্তানীদের। আজহার আলীর দলের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে গেছে দলীয় ৭৭ রান, সাজঘরে ফিরে গেছেন টপঅর্ডারের ৫ ব্যাটসম্যান।

তবে ভাঙ্গা মেরুদণ্ডের চিকিৎসা করার চেষ্টা করেছেন হারিস সোহাইল ও সাদ নাসিম জুটি। এই জুটিতে ৭৭ রান জমা পড়েছে। এরপরই আঘাত হেনেছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। সোহাইলকে (৪৪ রান) কট অ্যান্ড বোল্ড করেছেন তিনি। পাকিস্তানের সংগ্রহ তখন ৩৯ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৪ রান।

Comments

comments