ব্রেকিং নিউজ

৭ই মার্চের ভাষণকে ‘জাতীয় ভাষণ’ ঘোষণার দাবি-বোয়াফ

7-1প্রতিবেদকঃ ৭ই মার্চের ভাষণকে ‘জাতীয় ভাষণ’ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিষ্ট ফোরাম -বোয়াফ। ৭ই মার্চ উপলক্ষে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’র প্রতিকৃতি ধানমন্ডি ৩২ এ পুষ্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে ঐতিহাসিক এই ভাষণকে জাতীয়করণ করার দাবী জানান (বোয়াফ) নেতৃবিন্দ। 
বোয়াফ প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ব্লগার কবীর চৌধুরী তন্ময় বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে তদানীন্তন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) জনতার উত্তাল সমুদ্রে দাঁড়িয়ে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরাধীন জাতিকে স্বাধীনতা যুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন। সেদিন স্বাধীনতা লাভের অদম্য স্পৃহায় মুক্তিকামী জাতির আশা আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নে বজ্র কণ্ঠে উচ্চারণ করেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। 
তিনি আরও বলেন, …তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে প্রস্তুত থাক। প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল এবং তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাক। মনে রাখবা রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ’। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের মাধ্যমেই স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পথে আমাদের পূর্বপুরুষ ঝাপিয়ে পড়েছিল। বুকের তাজা রক্ত¯্রােতে অর্জিত করে লাল-সবুজ’র স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। 
ব্লগার কবীর চৌধুরী তন্ময় বলেন, আন্তর্জাতিক ভাবে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণটি নিয়ে আলোচনা, গবেষণা এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সুতিকাগার হিসেবে মূল্যায়ণ করা হলেও বাংলাদেশ এ ব্যাপারে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করতে এখনো ব্যর্থ বলে প্রতিয়মান। 
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণটি নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথ ভাবে তুলে ধরার জন্য এবং এই ভাষণকে ‘জাতীয় ভাষণ’ করার দাবি করেন বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিষ্ট ফোরাম-বোয়াফ সভাপতি ব্লগার কবীর চৌধুরী তন্ময়।
ধানমন্ডি ৩২ এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পনের উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি রাশিদা হক কনিকা, সহ-সভাপতি এড. ইয়াছিন করিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম এইচ চৌধুরী, সাংগঠনিক সস্পাদক হাবিবুল্লাহ মিছবাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রাজীব, প্রচার সম্পাদক ব্লগার রফিকুল ইসলাম রাকিব, গাজী সালাউদ্দিন তুহিন, ডেবিট হাওলাদার, জাহিদুর রহমান জাবেদ, আরফান আলী, ইসহাক হোসেন রনি, তোফায়ের আহমেদ, রাকিব সজল, সফিকুল ইসলাম প্রমুখ। 

Comments

comments