ব্রেকিং নিউজ

ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্হা ফ্রড : অর্থমন্ত্রী

63626প্রতিবেদকঃ  অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘ইসলামিক ব্যাংকিং আমার কাছে শুরু থেকে মনে হয়েছে এটা ফ্রড এবং সেভাবেই সব সময় এটাকে বিবেচনা করেছি।

’ দশম সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে রবিবার ঢাকা-৫ আসনের হাবিবুর রহমান মোল্লার সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ‘দুর্ভাগ্য যে, ইসলামিক ব্যাংকিং তত্ত্ব সারা দুনিয়াতেই গৃহীত।

আইএমএফ পর্যন্ত তাদের অনুমোদন দিয়েছে। সুতরাং এটাকে বন্ধ করার কোনো সুযোগ এখানে নেই।

এটাকে বন্ধ করার সুযোগ মুসলিম উম্মার ওপর। মুসলিম উম্মাহ যখন রেশনালিস্ট হবে, যখন বুঝতে পারবে ইসলামের নামে একটি জঘন্য প্রথা চালু করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘ইসলামে রিবাহ নিষিদ্ধ। রিবাহ এবং বর্তমান সুদ এক জিনিস নয়।

রিবাহের মধ্যে কোনো ধরনের মানবিক চিন্তাধারা নেই। কিন্তু সুদ মানবিক চিন্তাধারার ওপর নির্ভর করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সুদ হল কস্ট অব ফান্ড এবং কস্ট অব এ্যাডমিনিস্ট্রেশন। কিন্তু রিবাহতে সেটা ছিল না। যারা ধর্ম নিয়ে কথা বলেন, তারা সুদ ও রিবাহকে এক করে ফেলেন।

এটা একান্তই ভুল। এই ভুলের ওপর ভিত্তি করেই ইসলামিক ব্যাংকিং হয়েছে। এখন আমার কিছু করার নেই।’ এর আগে তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতে ধর্মকে ব্যবহারের মাধমে গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণার করার কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।’

অর্থমন্ত্রী জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রাপ্তির ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি এ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট’ তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে থাকে এবং চরমপন্থী কোনো গোষ্ঠীর ব্যাংকিং কার্যক্রমের বিষয়ে তথ্য পেলে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট’ কর্তৃক ‘এ্যান্টি টেরোরিজম এ্যাক্ট (আইটিএ)-২০০৯’ এর অধীনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়ে থাকে।

Comments

comments