ব্রেকিং নিউজ

কোকোর মরদেহ ঢাকায়

Coco_dead-body_thereport24দ্য বিডি এক্সপ্রেসঃ সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মরদেহ আজ মঙ্গলবার মালয়েশিয়া থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ সময় দুপুর পৌনে ১২টার দিকে তাঁর মরদেহবাহী বিমানটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
কোকোর মরদেহ বহনের জন্য বেলা ১১টার দিকে আলিফ মেডিকেল সার্ভিসের একটি অ্যাম্বুলেন্স বিমানবন্দরের ৮ নম্বর হ্যাঙ্গার গেটে ঢুকেছে। এই অ্যাম্বুলেন্সে করে কোকোর মরদেহ প্রথমে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে নেওয়া হবে।
বেলা ১১টার দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের তিন মিনিট বিলম্বে বিমানটি ঢাকায় অবতরণ করবে। আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মতো সময় লাগতে পারে।
আরাফাত রহমান কোকোর মরদেহ গ্রহণের জন্য বিএনপির কয়েকজন নেতা ইতিমধ্যে বিমানবন্দরে গেছেন। লাশ গ্রহণের জন্য বেলা ১১টার দিকে বিমানবন্দরে যান বিএনপির কয়েকজন নেতা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আবদুল মঈন খান, আবদুল্লাহ আল নোমান, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, ফজলুল হক মিলন, গিয়াস কাদের চৌধুরী, আবদুল মান্নান প্রমুখ। তাঁরা বিমানবন্দরের ৮ নম্বর হ্যাঙ্গার গেটের বাইরে অবস্থান করছেন।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের প্যাসেঞ্জার সার্ভিস স্পেশালিস্ট মাহমুদুল হাসান হিমেল সকালে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, কোকোর মরদেহবাহী বিমানটি বাংলাদেশ সময় সকাল আটটার দিকে মালয়েশিয়া থেকে রওনা হয়েছে। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সেরে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

কোকোর মরদেহ আসা উপলক্ষে বিমানবন্দর ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

 গতকাল সোমবার রাতে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিমানবন্দরে কোকোর মরদেহ গ্রহণ করবেন বিএনপির কেন্দ্রীয় পাঁচ নেতা। মরদেহ সরাসরি গুলশানে নেওয়া হবে। সেখানে কেবল পরিবারের সদস্যরা থাকবেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের সেখানে না যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা শেষবারের মতো দেখার পর কোকোর মরদেহ নেওয়া হবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে। সেখানে আজ বাদ আসর জানাজা শেষে বনানীর সামরিক কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করার কথা।

কোকোর মরদেহ নিতে বিএনপি নেতারা বিমানবন্দরে

নজরুল ইসলাম খান বলেন, আরাফাত রহমান অরাজনৈতিক ব্যক্তি ছিলেন। তাই রাজনৈতিক দলসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে জানাজায় অংশ নিতে আহ্বান জানান তিনি।

আরাফাত রহমান গত শনিবার মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পরদিন কুয়ালালামপুরে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

দলীয় সূত্রগুলো জানায়, প্রথমে চিন্তা ছিল নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আরাফাত রহমানের জানাজা হবে। পরে খালেদা জিয়ার নির্দেশে বায়তুল মোকাররমে জানাজার আয়োজন করা হচ্ছে। কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, তিনি কখনো বিএনপি বা অন্য কোনো দলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। এ কারণে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জানাজা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Comments

comments