ব্রেকিং নিউজ

পরীক্ষা না দিয়েও জিপিএ-৫ পেয়েছে হাতিবান্ধার সাজ্জাদ হোসেন

10906062_417884588364475_9173798681595185554_nদি বিডি এস্কপ্রেসঃ হাতীবান্ধা উপজেলায় প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় (পিএসসি) অংশ না নিয়েও জিপিএ-৫ পেয়ে পাস করেছে সাজ্জাদ হোসেন সাকিব নামে এক শিশু। তার রোল নম্বর ২৪৩৫।

মঙ্গলবার দুপুরে ফলাফল প্রকাশের পর জানাজানি হলে বিষয়টি হাতীবান্ধায় ‘টক অব দি টাউন’ হয়ে ওঠে।

আবার একই স্কুলের মিম মানতাসা নামে এক শিক্ষার্থী সব পরীক্ষায় অংশ নিলেও রহস্যজনক কারণে তাকে অনুপস্থিত দেখানো হয়েছে। এতে তার ফলাফল দেখানো হয়েছে ফেল হিসেবে।

হাতীবান্ধা উপজেলার ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এদুটি ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন শিক্ষকরা। তবে এসব অভিযোগ নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া গেছে বিপরীত মন্তব্য।

ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহ আলম ও শাপলা আক্তার জানান, চলতি বছরের পিএসপি পরীক্ষায় ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৯১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল পুর্ব সিন্দুনা গ্রামের হাছেন আলী ছেলে সাজ্জাদ ইসলাম শাকিব। যার রোল নং ২৪৩৫। কিন্তু মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, পরীক্ষায় অনুপস্থিত শাকিব জিপিএ-৫ পেয়ে পাস করেছে।

শিক্ষকসহ স্থানীয়রা জানায়, আজ থেকে তিন মাস আগেই শাকিব তার বাবা হাচেন আলী আর সামেনা বেগমের সঙ্গে ঢাকা চলে গেছে। পিএসসি পরীক্ষা চলাকালীনও সে ঢাকায় ছিল। কিন্তু পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও জিপিএ ৫ পেয়ে পাস করার কোনো সদুত্তর মিলছে না উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে।

আবার একই স্কুলের শিক্ষার্থী মিম মানতাসা যার পিএসসি পরীক্ষার রোল ২৪৯৪। সে সব বিষয়ে অংশ নিলেও রহস্যজনক কারণে তাকে বাংলা পরীক্ষায় অনুপস্থিত দেখানোয় ফেল করেছে শিশুটি। ফলাফল জানতে গিয়ে নিজের ফেল করার বিষয়টি জেনে ক্লাসের অত্যন্ত মেধাবী ওই ছাত্রীটি মাটিতে গড়াগড়ি করে কাঁদতে থাকে।

জানতে চাইলে স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরনবী   বলেন, কর্তৃপক্ষের ভুলের কারণে মেয়েটির কান্নাকাটি দেখে উপস্থিত শিক্ষকরাও চোখের পানি ধরে রাখতে পারেনি। শিশু মিমের বাবা-মা বারবার জানতে চাইছে তার মেয়ের ফেলার কারণ। কিন্তু শিক্ষকরা এর কোনো সদুত্তর দিতে না পারায় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে ফলাফল পুনঃযাচাইয়ের আবেদন করা হয়েছে।

প্রধান শিক্ষক নুরনবী একই সঙ্গে পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও অপর শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন শাকিবের জিপিএ-৫ পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন।

এদিকে উপজেলা শিক্ষা অফিসের ভাষ্য মতে, পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও পাশের ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও এর দায় দায়িত্ব কেন্দ্র সচিব বা সেখানে দায়িত্বরতদের। কর্মকর্তারা বলছেন, হাতীবান্ধার পিএসি পরীক্ষার্থীদের খাতা দেখে তাতে নম্বর বসিয়েছেন পাশ্ববর্তী উপজেলা কালীগঞ্জের শিক্ষকরা। তাই কোথাও ভুল হলে তা যাচাই করে সংশোধন করা হবে বলে দাবি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্বাছ আলী ভুইঁয়ার।

অপরদিকে শিক্ষা কর্মকর্তার এমন কথা মানতে নারাজ অনেকেই। তাদের ভাষ্য মতে, কেউ না কেউ অনুপুস্থিত রোলের নামে সেই খাতা তৈরি করে তার ফলাফল পাওয়ার আশায় অথবা শতভাগ পাশের কৃতিত্ব নিতে এমনটি করেছে।

তবে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্বাছ আলী ভুইঁয়া আবারো বলেন, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল। সেই ভুলের সংশোধনের

Comments

comments