ব্রেকিং নিউজ

নোয়াখালী মুক্ত দিবস পালিত

news pictureমুশফিকুর রহমানঃ  ৭ডিসেম্বর শনিবার নোয়াখালী পাক হানাদার মুক্ত । '৭১'র এই দিনে মুক্তিযোদ্ধারা সম্মুখ সমরে পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে নোয়াখালীর মাটিতে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছিল।

দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা সংগ্রামে হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার-আলবদর বাহিনীর নৃশংশ বর্বরতায়  নোয়াখালী শহরে স্বাধীনতাকামী বাঙ্গালীরা বিজয়ের নিশান উড়িয়ে উল্লাস করে।
অপরদিকে বিএলএফ তথা মুজিব বাহিনীর কমান্ডার মাহমুদুর রহমান(বেলায়েত), সুবেদার লুতফুর রহমান, মোঃ মমিন উল্লাহন এর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা শহরের দিকে এগুতে থাকে। মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমনে পাক বাহিনী পালিয়ে পায়।
 
নোয়াখালী হানাদারমুক্ত হওয়ার কারনে ঢাকা-চট্টগ্রামের সাথে সড়ক ও রেল পথে হানাদার বাহিনীর যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ রূপে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে করে বাংলাদেশ স্বাধীনতার সূর্য উদিত হওয়ার বিষয়টি সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা চৌমুহানি টেকনিকেল সেন্টার, গোপালপুর বাজার,বগাদিয়ার যুদ্দ,রামপুর, সোনাইমুরি, সহ আরও কয়েকটি স্থানে স্বাধীনতাকামী নিরীহ মানুষকে নির্মম ভাবে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেছিল। শহীদদের স্মৃতির ভাস্কর হিসেবে জেলার বিভিন্ন  জায়গায় শহীদদের নামের তালিকা সহ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি স্তম্ভ নির্মান করা  হয়েচে। 

'৭১'র এই দিনে মুক্তিযোদ্ধারা সম্মুখ সমরে পাক হানাদার বাহিনী পরাজিত করে নোয়াখালির মাটিতে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছিল।

দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা সংগ্রামে হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার-আলবদর বাহিনীর নৃশংশ বর্বরতায় ক্ষত-বিক্ষত নোয়াখালি শহরে স্বাধীনতাকামী বাঙ্গালীরা বিজয়ের নিশান উড়িয়ে উল্লাস করে।

রবিবার বিকেল ৩টায় জেলা প্রাইমারী ট্রেনিং ইস্টিটিউটের সামনে অবস্থিত মুক্ত মঞ্চ থেকে  মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর বিকেল ৪টায় জেলা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ইউনিটের কমান্ডার মোজাম্মেল হক মিলনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলে এলাহী, এডভোকেট মমিন উল্লাহ, মোশারফ হোসেন, জয়নাল আবেদীন, মমতাজুল করিম বাচ্চু, মিঞা মোহাম্মদ শাহজাহান প্রমুখ।

 

 

 

 

Comments

comments