ব্রেকিং নিউজ

‘লম্পট প্রতিবেশীর খপ্পরে বাংলাদেশ’

94394_1গত রবিবার পূর্ব লন্ডনের ওয়াটার লিলি হলে সিটিজেন মুভমেন্ট ইউকে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের মানবাধিকার ও গণতন্ত্র’ শীর্ষক এক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. তুহিন মালিক বলেন, ‘নাস্তিকদের সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনা পুরো রাজনীতিটাকে কলুষিত করেছেন। যে নাস্তিকরা তার বাবাকে হত্যা করতে চেয়েছেন, যারা তার বাবা মারা যাবার পর ট্যাঙ্কের ওপরে দাঁড়িয়ে উলঙ্গ নৃত্য করেছে, যে নাস্তিকরা তার চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বানাতে চেয়েছে, শুধুমাত্র ইসলামকে আঘাত করার জন্য এই নাস্তিকদের শেখ হাসিনা সঙ্গে রেখেছেন।’

সিটিজেন মুভমেন্ট ইউকের আহ্বায়ক এমএ মালেক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. তুহিন মালিক বলেন, ‘নাস্তিকদের সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনা পুরো রাজনীতিটাকে কলুষিত করেছেন। যে নাস্তিকরা তার বাবাকে হত্যা করতে চেয়েছেন, যারা তার বাবা মারা যাবার পর ট্যাঙ্কের ওপরে দাঁড়িয়ে উলঙ্গ নৃত্য করেছে, যে নাস্তিকরা তার চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বানাতে চেয়েছে, শুধুমাত্র ইসলামকে আঘাত করার জন্য এই নাস্তিকদের শেখ হাসিনা সঙ্গে রেখেছেন।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে বাম পঁচলে হয় আওয়ামী লীগ আর আওয়ামী লীগ যখন পঁচে যায় তখন তার নাম হয় নাস্তিক।’

তুহিন মালিক বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ইসলামী ও জাতীয়তাবাদী শক্তিকে মিথ্যা, প্রপাগাণ্ডা ও হয়রানি করে ধ্বংস করে বাংলাদেশে দিল্লির শাসন ও নাস্তিকবাদীদের মন্দির বানাতে চায়। সারা পৃথিবীতে সংখ্যালঘু নির্যাতন হয় কিন্তু বাংলাদেশ একমাত্র দেশ যেখানে সংখ্যাগুরুরা নির্যাতিত হয়।’ বাংলাদেশ আজ এক লম্পট প্রতিবেশীর খপ্পরে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই লম্পট প্রতিবেশীর খপ্পর থেকে এদেশের মা-বোনকে বাঁচাতে হবে। এদেশের মা-বোনরা তাদের ভাবী হতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে সংখ্যাগুরু মানুষের মূল্যবোধ, তার লেবাস, তার দাঁড়ি-টুপি এমনকি তার কিতাব রাখা অপরাধ। কিন্তু ঘুষ ও হারাম খাওয়া অপরাধ না।’

তিনি আরো বলেন, ‘তারা এতদিন বলেছে জয় বাংলা। প্রমোদ মানকিন কয়েকদিন আগে বলেছেন- জয়বাংলা না বললে বাংলাদেশ থেকে বের করা দেয়া হবে। জয় বাংলা আমরা দেখেছি, শুনেছি। কিন্তু জয়ের (সজীব ওয়াজেদ জয়) বাংলা আমরা দেখব না ইনশাআল্লাহ। এটা মুসলামদের বাংলা, এটা তাওহিদী জনতার বাংলা। এটা ইহুদী খ্রিষ্টানদের পিতার বাংলা নয়।’

ড. তুহিন মালিক বলেন, ‘গরীবের বউ সকলের ভাবী হয়। বাংলাদেশ ভারতের কাছে ক্ষুদ্র রাষ্ট্র। এজন্য বাংলাদেশকে তারা ভাবী মনে করে। শরীরের আকার বড় হলেও হাতি যেমন বনের রাজা হতে পারেনি, তেমনি বাংলাদেশের আয়তন যত ছোটই হোক, ভারত আয়তনে যতই বড় হোক- বাংলাদেশের মানুষ কখনো ভারতকে রাজা মানবে না।’

Comments

comments