ব্রেকিং নিউজ

মওলানা ভাসানীর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

 imagesবিডি এক্সপ্রেসঃ মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে, তার মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলী জ্ঞাপন, দোয়া, আলোচনা সভা ও স্মরণ সভা। দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট, ন্যাপ ভাসানী, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন সকালে তার মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন। এছাড়াও সংগঠনগুলো পৃথক স্থানে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভার আয়োজন করবে। এছাড়াও দেশের বাইরে ভাসানী স্মৃতি পরিষদ ও ভাসানী ফাউন্ডেশন আলাদা কর্মসূচী হাতে নিয়েছেন। টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচী টাঙ্গাইল জেলা সংবাদদাতা জানান আফ্রো-এশিয়া ল্যাটিন আমেরিকার অবিসংবাদিত নেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। মওলানা ভাসানীর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর জন্ম নেওয়া মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী নিপীড়ত-নির্যাতিত মানুষের নেতা হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা সংস্কৃতি ও কৃষি বিপ্লব ঘটানোর আন্দোলনে একাকার হয়ে সাম্রাজ্যবাদীদের আতঙ্কে পরিণত হয়েছিলেন। তার হুঙ্কার খামোশ শব্দটি আজো ঐতিহাসিকভাবে প্রতিধ্বনিত হয়। মওলানা ভাসানী তাঁর নির্লোভ সংগ্রামী জীবনে সুদখোর মহাজনদের বিরুদ্ধে আন্দোলন, শোষক জমিদারদের উচ্ছেদ, কৃষক সম্মেলন, বঙ্গীয় কৃষক খাতক আইন পাস, সালিশি বোর্ড স্থাপনসহ নানা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশের জন্ম ইতিহাসের এমনকি স্বাধীনতা সংগ্রামেও রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন, ফারাক্কার লংমার্চ চির জাগরুক হয়ে আছে তার দূরদর্শিতার নিদর্শন হিসেবে। তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন আলোকিত মানুষ গড়ার। তাই প্রত্যন্ত গ্রাম সন্তোষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার পরিকল্পনাসহ ১৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়েছিলেন। তিনি সিরাজগঞ্জ জেলার সয়াধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করলেও জীবন-সংগ্রামের বৃহদাংশ কাটিয়ে ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর অন্তিম শায়নেও রয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। সেই সন্তোষে আজ নামবে তার মুরিদ ভক্তদের ঢল। রাজনৈতিক নেতাদের পদচারণা ও আলোচনায় থাকবে মুখরিত। এ উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন সামাজিক রাজনৈতিক সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ভাসানী ফাউন্ডেশন পাঁচ দিনব্যাপী মেলা ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলাউদ্দিন সকাল সাতটায় ভাসানীর মাজারে ফুল দিয়ে দিবসের কর্মসূচি সূচনা করবেন। পরবর্তীতে আলোচনা সভা, কাঙ্গালি ভোজসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন, ভাসানীর পরিবার, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি পালন করবে। দিনভর ভাসানীর মাজার প্রাঙ্গণে চলবে কাঙ্গালী ভোজের আয়োজন। সংগঠনগুলো ভাসানীর মাজারে ফুল প্রদানের পাশাপাশি আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি পালন করবে।

Comments

comments