ব্রেকিং নিউজ

সাক্ষ্য দিতে রোববার ভারত যাচ্ছেন ফেলানীর বাবা

a47e6df582118df1120316e2ca6c0060_XLভারতের কোচবিহারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিশেষ আদালতে আবারো শুরু হচ্ছে ফেলানী হত্যার পুনর্বিচারের কাজ। এ আদালতে সাক্ষ্য দিতে আগামীকাল রোববার ভারত যাচ্ছেন ফেলানীর বাবা নুর ইসলামসহ তিনজনের একটি প্রতিনিধিদল। তারা হলেন, সরকারি কৌঁসুলি আব্রাহাম লিংকন ও কুড়িগ্রাম ৪৫ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মেজর এ টি এম হেমায়েতুল ইসলাম। আগামী সোমবার বিশেষ আদালতে ফেলানীর বাবা সাক্ষ্য দেবেন।

এ বছরের ২২ সেপ্টেম্বর বিএসএফের বিশেষ আদালতে পুনর্বিচার শুরু হয়। পুনর্বিচারে ২৬ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্য দিতে ভারতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল। কিন্তু আদালতের বিচারিক কার্যক্রম মুলতবি হওয়ায় প্রতিনিধি দলটি ফিরে আসে।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ায় বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারায় কিশোরী ফেলানী। বিশ্বজুড়ে এ ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে বিচার করার ঘোষণা দেয় ভারত সরকার।

২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট বিএসএফের বিশেষ আদালতে শুরু হয় ফেলানী হত্যার বিচারকাজ। আদালতে সাক্ষ্য দেন ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম ও মামা আবদুল হানিফ। কিন্তু ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বিএসএফের অভিযুক্ত সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেন আদালত। এ নিয়ে আবারও সমালোচনা শুরু হলে বিজিবি-বিএসএফের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে ফেলানী হত্যার পুনর্বিচারের আশ্বাস দেয় বিএসএফ।

সরকারি কৌঁসুলি আব্রাহাম লিংকন বলেন, ফেলানী হত্যাকাণ্ডে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলে সীমান্ত হত্যা কমে আসবে। খালি হবে না কোনো মায়ের বুক। আর ফেলানী হত্যার পুনর্বিচারে ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম ও মা জাহানারা বেগম।#

 

Comments

comments