করোনায় উচ্চ ফলনশীল বীজ উদ্ভাবনে কাজ করে যাচ্ছে গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনষ্টিটিউট   

দিনাজপুর প্রতিনিধি
করোনাভাইরাসের প্রভাবে ভবিষ্যৎ সংকটের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দেশে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা। তাদের উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল বারি-৩৩ জাতের গম বীজ ইতিমধ্যে কৃষকদের মাঝে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।  খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে  রাত-দিন পরিশ্রম করে  স্বল্প সময়ে ফসল উৎপাদন করা যায় এমন প্রজনন বীজ উদ্ভাবনে গবেষনা চালিয়ে যাচ্ছেন গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনষ্টিটিউট-এর কৃষি বিজ্ঞানীরা।

দেশে গম এর চাহিদা ৭০ লাখ মেট্রিক টন। চলতি বছর গমের বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকা এবং ভাল বীজ ও সঠিক পরিচর্যার কারনেই চলতি বছর গমের বাম্পার ফলন হওয়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন দিনাজপুর গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনষ্টিটিউট কৃষি বিজ্ঞানীরা। ১ একর ধান আবাদ করতে যে ব্যয় হয় ,সে ব্যয় দিয়ে ৩ একর গম আবাদ করা যায়। ভাল বীজ পওয়ায় এবং সঠিক পরিচর্যা ও আবহাওয়া অনুকলে থাকায় এবার প্রতি বিঘায় ১৫/১৬ মন গমের ফলন পাওয়ায় গম চাষীরা বেজায় খুশি। এক সময়  ব্লাস্ট রোগের কারনে গমের আবাদ কমে গেলেও বর্তমানে কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাতের গম বীজ হাতে পাওয়ায় গম চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকের।

মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকতা ড. এম.আব্দুল আউয়াল মনে করেন, ভাল বীজে ভাল ফসল সেই লক্ষ্যে  প্রজনন বীজ সুষ্ঠুভাবে সংরক্ষন করে কৃষকের মাঝে পৌছে দেওয়ায়  হচ্ছে মুল লক্ষ্য।

প্রান্তিক কৃষকসহ কৃষির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলেই একযোগে কাজ করলে করোনার প্রভাবে ভবিষ্যৎ মন্দাভাব কাটিয়ে উঠা সম্ভব বলে  মনে করনে  এই কৃষি বিজ্ঞানী ।,বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনষ্টিটিউট মহাপরিচালক ড. এম.এছরাইল হোসেইন  বলেন এবার সারা দেশে ৩ লাখ ৪১ হাজার হেক্টর জমিতে গমের আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ১৪ লক্ষ মেট্রিক টন গম।  গত বছর ৩ লাখ ২৯ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ হয়, উৎপাদন  হয়েছিল ১১ লাখ ৪৪ হাজার মেট্রিক টন। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩ লাখ মেট্রিক টন বেশি।

Comments

comments