জাতীয় প্রেসক্লাবের লাইব্রেরিতে মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার উদ্বোধন

দ্য বিডি এক্সপ্রেস

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা, সম্পাদকবৃন্দ ও প্রবীণ সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘১৯৭১ সালের ওপর একটি বিশেষ কর্ণার’ উদ্বোধন করা হয়েছে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তিতে দেশে-বিদেশে প্রকাশিত প্রায় একশ’ বই নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের গ্রন্থাগারে ‘মুক্তযুদ্ধ কর্ণার’ নামে এ কর্ণার করা হয়েছে।
ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের লাইব্রেরি ও রেফারেন্স সাব কমিটির অধীনে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক আরো বইপত্র নির্ধারণ ও ক্রয় করে এ কর্ণার আরো সমৃদ্ধ করা হবে। এ উপলক্ষে প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণস্থ সবুজ চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) শামসুল আরেফিন।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য মুহাম্মদ শফিকুর রহমান, ইকবাল সোবহান চৌধুরী, হাসান শাহরিয়ার, রিয়াজউদ্দিন আহমেদ, মতিউর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, মাহফুজ আনাম, হারুন হাবিব, মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল,খন্দকার মনিরুজ্জামান,স্বপন সাহা,শরীফ শাহাব উদ্দিন, আব্দুল জলিল ভুইয়া, ওমর ফারুক, শাবান মাহমুদ ও সোহেল হায়দার চৌধুরীসহ প্রবীণ সাংবাদিকবৃন্দ ও সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন এ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
লাইব্রেরি সাব-কমিটির আহবায়ক শাহনাজ বেগমের সঞ্চালনায় মুক্তিযুদ্ধের গান ‘সব কটা জানালা খুলে দাওনা’ ও মুক্তিরও মন্দিরও সোপানো তলে’ গান পরিবেশনের মধ্যদিয়ে এ অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।
মেজর (অব.) শামসুল আরেফিন এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের উপর বিভিন্ন বিষয় ও ঘটনাবলী সম্পর্কিত আরো প্রামাণ্য তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের কাছে ওই সময়ের বিভিন্ন বিষয় ও যুদ্ধের ওপর অনেক বই রয়েছে। কিন্তু আমাদের এখনো পকিস্তানী হানাদারদের অধীনে বাংলাদেশের ভিতরে প্রশাসনের পরিস্থিতির প্রামাণ্যের অভাব রয়েছে। যা মুক্তযুদ্ধের ইতিহাস জানার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’ মেজর আরেফিন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন দেশের ভিতরে বিভিন্ন ঘটনাবলি প্রামাণ্য দলিলের ওপর কাজ করার জন্য গবেষক ও সাংবাদিকদের প্রতি আহবান জানান।

Comments

comments