ব্রেকিং নিউজ

ভার্চ্যুয়াল রিলেশন কতটা ক্ষতির কারণ?


শ্রুতি খান: আমরা এখন নতুন নতুন বিষয়ের উপর সব থেকে বেশী কৌতুহলী হয়ে পড়েছি। এবং চমক প্রদ বিষয়ে সময় মেধা ব্যায় করি। এর কারনে কি কি উপকার বা ক্ষতি হচ্ছে? নতুন কোন এপস যা শুধুই সময় নষ্ট করে। নতুন ভিডিও চ্যাট বা নতুন বন্ধু বানানোর ক্ষেত্রে সময় ও বেশী লাগেনা। আবার প্রতারনার শিকার ও কম হচ্ছে না।প্রতিটি মানুষ একসাথে মাল্টিটাচে থাকে। যদি সেটা শুধুই প্রয়োজনের খাতিরে হতো তাহলে ঠিক ছিলো। কিন্তু এখন এসব নোংড়ামি এতো চরম পর্যায়ে এসে পৌছেছে যা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। এসব এপসের মাধ্যমে পরিচিত বন্ধুদের সাথে দেখা হওয়ার আগেই একে অপরকে সব আপত্তিজনক বিষয়ে শেয়ার করছে। তারপর প্রথম দেখায়ই তাদের টার্গেট থাকে যৌন ক্ষুদা মিটানো। এরকম করতে করতে সবথেকে বেশী নারীরাই ক্ষতির মুখে পড়ছে। পুরুষরা হচ্ছে ব্লাকমেইলের স্বীকার। নারীরা মন দিয়ে দেয় নিজের অজান্তে। সবকিছু করার পর ভাবে কি করলাম। যখন নিজেকে মানুষ ভাবতে শুরু করে তখন সবকিছুই তার কাছে ভুল মনে হয়। আসলে এই ভার্চ্যুয়াল লাইফে সবকিছুই অনিরাপদ এবং অসংরক্ষিত হয়ে পড়েছে। যা মানব সভ্যতা এবং মানব সভ্যতার সংরক্ষনের ক্ষেত্রে অনেক বেশী ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে। একসময় জাতিগত ভাবে আক্রান্ত হবে মানুষ নানাহ মানষিক রোগে। আপনজন হীনতায় ভোগতে ভোগতে সুইসাইড প্রবনতা বেড়েই যাবে। মানুষ সাইকো তে রুপান্তরিত হবে। যদিও এখনো সেরকম টি হতে বাকি নেই। রিলেশনসীপের বিষয়ে সকলেই আবার অতীতের কালচারে ফিরে যেতে চাইবে। কিন্তু তা আর কখনোই সম্ভব হবে না। মানুষ প্রকৃতি থেকে অনেক বেশী দূরে সরে আসছে। দেশ জাতি প্রকৃতি প্রীতি ভুলে গিয়ে শরীর আর যৌন প্রীতিতে পরিনত হয়ে গেছে। পরিবার আপনজন ভালোবাসার মানুষ সবকিছুই হয়ে উঠেছে গেইম শোর মতন। এসব বড় রকমের সমস্যা থেকে মানুষ নিজেদের কে নিজেরাই বের করে আনতে হবে। যাতে করে নিজেদের জীবনের মূল্যবান সময় মূল্যবান কাজেই লাগানো যায়। কোন কিছুতে আসক্ত না হয়ে ভালো মন্দ জানার চেষ্টা থাকা খারাপ না। লেখক: সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিক।

Comments

comments