ব্রেকিং নিউজ

ধনীদের সংখ্যা বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয়

প্রতিবেদক :

যেসব ব্যক্তিদের নেট সম্পদের পরিমাণ ১০ লাখ থেকে ৩ কোটি ডলার পর্যন্ত, বিশ্বজুড়ে তাদের সংখ্যা বৃদ্ধির হারে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। আগামী পাঁচ বছর ধরে এই শ্রেণির কোটিপতিদের সংখ্যা বৃদ্ধির হার ১১.০৪ শতাংশ হবে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা ওয়েলথ এক্সের উপস্থাপিত তথ্য থেকে আরও জানা গেছে, এই বিশেষ শ্রেণির ধনীদের সংখ্যা বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ ছাড়িয়ে গেছে চীন ও ভারতের মতো দেশকে।

ওয়েলথ এক্স যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি সংস্থা, যারা বিশ্বজুড়ে মোট সম্পদের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে ধনী ও অতি ধনী ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশ করে। সংস্থাটির হিসেবে ধনী ব্যক্তিদের (হাই নেট ওর্থ ইন্ডিভিজুয়াল বা এইচএনডব্লিউআই) সবচেয়ে বেশি ঘনত্ব যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটির নিউ ইয়র্ক শহর এইচএনডব্লিউআইদের বাসস্থান হিসেবে বিশ্বে প্রথম। গত বুধবার (১৬ জানুয়ারি) তারা ওয়েলথ এক্স ‘হাই নেট ওর্থ হ্যান্ডবুক ২০১৯’ প্রকাশ করেছে, যাতে বিশ্বের ধনীদের সংখ্যা বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

ওয়েলথ এক্সের প্রতিবেদনে হয়েছে হয়েছে, ১০ লাখ থেকে ৩ কোটি ডলার পর্যন্ত সম্পদের মালিক এমন ধনীদের সংখ্যা বৃদ্ধির দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে তৃতীয়। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মিসর। আর বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে ধনীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে নাইজেরিয়ায়।

নির্ধারিত বিশেষ শ্রেণির ধনীদের সংখ্যা বৃদ্ধির দিক থেকে বাংলাদেশের পরেই রয়েছে যথাক্রমে ভিয়েতনাম, পোল্যান্ড, চীন, কেনিয়া, ভারত, ফিলিপাইন এবং ইউক্রেন। অর্থাৎ ধনীদের সংখ্যা বৃদ্ধির হারে ভারত ও চীনকে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ।

ধনী ব্যক্তির সংখ্যা বেশি হারে বাড়ছে এমন শহরের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে চীন। দেশটির ৩২টি শহরে দ্রুত বাড়ছে ধনীদের সংখ্যা। এক্ষেত্রে সৌদি আরবকে ছাড়িয়ে গেছে ভারত। দেশটির তিনটি শহর ধনীদের সংখ্যা বৃদ্ধির হারের দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছে। সৌদি আরবে এমন শহর একটি।

বিশ্বজুড়ে ধনীদের সংখ্যা বৃদ্ধির হারের এই তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্পদ অর্জনের উৎসগুলোর মধ্যে এগিয়ে রয়েছে ব্যাংক, বিনিয়োগ ও অন্যান্য আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান। দ্বিতীয় অবস্থান রয়েছে প্রযুক্তি ও শিল্প উৎপাদনে জড়িত প্রতিষ্ঠান।

বিশ্বজুড়ে ১০ লাখ থেকে ৩ কোটি ডলার সমমূল্যের সম্পদ আছে এমন ১৫ শতাংশ ব্যক্তির সম্পদে আংশিক বা পূর্ণ অবদান রয়েছে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পদের। বাকিরা তাদের সম্পদ নিজেরাই অর্জন করেছেন।

Comments

comments