ব্রেকিং নিউজ

কোন ষড়যন্ত্রেই বাংলাদেশের উন্নয়নের চাকা থামবে না- রাশেদ খান মেনন

প্রতিবেদক :

সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের চাকা এখন দ্রুত বেগে ঘুরছে। এই চাকাকে কোন ষড়যন্ত্র করেই আর থামিয়ে রাখা যাবে না। বর্তমান সরকার যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েই বাংলাদেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত করতে পেরেছে। খাদ্য নিরাপত্তায় আমরা ৩ হাজার কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করেছি। সমগ্র দেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে মোট বাজেটের ১৩.৪ শতাংশ। 

তিনি বলেন, এই খাতের মাধ্যমে সরকার দেশের বৃদ্ধ, বিধবা, হিজড়া, দলিত জনগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীসহ সকল পিছিয়ে থাকা মানুষদের একিভুত সমাজের অংশ করেছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের কোন দেশের কাছেই হাত পাতে না, আর্থিক সহায়তা চায়না। 

তিনি আরো বলেন, কৃষিতে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়ে বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। বিদেশী রাষ্ট্রের কাছ থেকে সাহায্য নেয়াতো দূরের কথা, উলটো বাংলাদেশই এখন অন্য দেশকে খাদ্য সহায়তা করে থাকে। 

আজ রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট এর সম্মেলন কক্ষে "গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স ২০১৮" শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যানমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। 

মন্ত্রী আরো বলেন, ২০০৮ সাল থেকেই বাংলাদেশের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে আমাদের সরকার কাজ করে গেছে। সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার ফলেই বাংলাদেশ আজ ক্ষুধামুক্ত স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ। অন্যদিকে বাংলাদেশ এবছর স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। দেশের জিডিপি বেড়েছে কয়েকগুণ। দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ২০০৫ সালের বিএনপি-জামায়াত শাসনের সময়ের ৫৪০ ডলার থেকে এখন দাঁড়িয়েছে ১৭৫২ ডলারে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ৩৩ বিলিয়ন ডলার। অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে সরকার পদ্মাসেতু নির্মাণের পাশাপাশি আরও বহু সেতু নির্মাণ, রেলপথ, মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে, বহু সংখ্যক উড়াল সেতু, চার লেন বিশিষ্ট রাস্তা নির্মাণ,২০১৮ সালের মধ্যে সকল গ্রামকে বিদ্যুতের আওয়াতায় আনা, গ্রামে গ্রামে কমিউনিটি হাসপাতাল ও সর্বোপরি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে মহাকাশের সাথে সংযুক্ত করার বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করেছে। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ মহসীন ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আরিফুর রহমান অপু।

Comments

comments