ব্রেকিং নিউজ

সংঘাত সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা :প্রধানমন্ত্রী


প্রতিবেদক :
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে মিথ্যাচার, সহিংসতায় উসকানিমূলক গুজব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিগত বিএনপি সরকারের কারণে জনগণ কী পেয়েছিল আর কি হারিয়েছিল তার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের ধারাবাহিকতা দেশকে কী দিয়েছে তা মূল্যায়ণ করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। গতকাল শনিবার রাতে গণভবনে আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম বৈঠকে সূচনা বক্তৃতায় তিনি আরো বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিবে সঙ্গে সাক্ষাতের কথা বলে নিউইয়র্কে গিয়ে বিএনপি নেতারা মূলত মিথ্যাচার করে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন।
 
দেশবাসীর প্রতি প্রশ্ন রেখে শেখ হাসিনা বলেন, তারা যে মিথ্যা কথা বললো, জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেলের দাওয়াতে গেছে আর জাতিসংঘ থেকে একজন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল জানালো আমরা তো দাওয়াত করিনি, উনারাই দেখা করতে চেয়েছেন। এতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিটা কোথায় থাকলো? প্রসঙ্গত, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির একটি টিম এখন নিউইয়র্কে। জাতিসংঘ মহাসচিবের রাজনীতি বিষয়ক সহকারী মহাসচিব মিরোস্লাভ জেনকার সঙ্গে দেখা করেছেন তারা। বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে তাঁরা সেখানে গিয়েছেন। পরে এ বিষয়ে খোঁজ নিলে জাতিসংঘের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, বিএনপির অনুরোধেই তাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয়েছে।
 
দেশবাসীকে এদের বিষয়ে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা দেশের সম্পদ নষ্ট করেছে, চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে, এতিমের টাকা মেরেছে, জনগণকে আমি বলবো, এদের বিরুদ্ধে সবসময় ব্যবস্থা নিতে হবে এবং সজাগ থাকতে হবে। কারণ এরা দেশটাকে ধ্বংস করে দেবে।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচন আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনসমর্থন কিন্তু আমাদের ব্যাপক। মানুষ বিশ্বাস করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে তাদেরও উন্নতি হয়। আপনারা দেখেছেন আইআরআই এর একটা গবেষণা। তাদের গবেষণায় বেরিয়েছে আওয়ামী লীগকে জনগণ ভোট দেবে এবং আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে উপরে।
 
শেখ হাসিনা বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্থায়ী মঞ্চ বানিয়ে নিয়মিত সভা সমাবেশের সুযোগ পাবে বিএনপি। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বিএনপিকে সুযোগ দিতে পুলিশ কমিশনারকে অনুরোধ করবেন বলেও নিশ্চয়তা দেন তিনি।
সভায় আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রায় সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে নতুন নতুন রাজনৈতিক জোটকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীর সূচনা বক্তব্যের পর তার সভাপতিত্বে নেতৃবৃন্দের রুদ্বদ্বার বৈঠক শুরু হয়।

Comments

comments