মজার ইতিহাস!

নাইমা শওকত সেতু।। স্কুলে আমর ইতিহাসের বিভিন জিনিস পড়েছি। তবে আমাদের পাঠ্য বিষয় গুলোর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ, ঔপনিবৈশিক শাসন, সামরিক শাসন, অন্যায়-অত্যাচার ইত্যাদি ছাড়া আর কিছুই নেই। বিশেষ করে আমার কাছেতো বাংলাদেশ ও বিশ^ পরিচয় বই মোটেই পছন্দ নয়। কিন্তু বিভিন্ন ঘটনার মধ্যেও তো কত মজাদার জিনিস ঘটত। পরাক্রমশালী বীর নেপোলিয়নএকদল খরখোশের সঙ্গে যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন। এই তথ্যটি আমরা অনেকেই হয়তো জানিনা। চলুন এ ধরনের কিছুআজব তথ্য জেনে নেয়াযাক।
ঘটনা ৮: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রোনালরিগেন স্কুলজীবনেলাইফগার্ড ছিলেন। তিনি স্কুলজীবনে ৭৭ জনেরজীবনবাঁচাতে পেরেছিলেন।
ঘটনা ৭: যুক্তরাষ্ট্রের পিন্সটনবিশ^বিদ্যালয়েরগবেষকরা ১৯২৯ সালেএকটি জীবন্ত বিড়ালকে সাফল্যের সঙ্গে কার্যকরীএকটি টেলিফোনে পরিণত করতে সফলতা লাভ করে।
ঘটনা ৬:যুদ্ধ মানেই হচ্ছে অগণিত মানুষের মৃত্যু। তাই বলে শান্তিকামী মানুষ যুদ্ধের বিপক্ষে সবসময়ই সোচ্চার থাকেন। কিন্তু কোনো মানুষ আহত হয়নি এমন যুদ্ধের কথা কেউ কি কখনো শুনেছেন? এরকম একটি যুদ্ধ কিন্তু সংঘটিত হয়েছিল এবং দীর্ঘদিন ধরেইতা চলছিল। সরকারীভাবে বিশ্বে ইতিহাসে সবচেয়ে বড় যুদ্ধ যা নেদারলেন্ডস্ এবং স্কিলি দীপপুঞ্জের মধ্যে হয়েছিল। ১৬৫১ সালে এই যুদ্ধ শুরুহয়েছিল এবং থেমেছিল ১৯৮৬ সালে। আশ্চর্যেরব্যাপারহল এই যুদ্ধে কিন্তু কেউই হতাহতহয়নি।
ঘটনা ৫:এখনকার যুগে আমরা তুলাবা ফোমের তৈরি কত আরামদায়ক বালিশ ব্যবহারকরি। প্রচীনযুগে মানুষ আরামের সুযোগ পায়নি। এক্ষেত্রে মিশরের কথাই বলা যেতে পারে। প্রাচীন সভ্যতার লীলাভূমি মিশর। অথচ মিশরিয়রা বালিশ হিসেবে ব্যবহার করত পাথরের ফলক।
ঘটনা ৪: ১১৭৩ সালে, ইতালির পিসাশহওে বিশ^ বিখ্যাত পিসাটা ওয়ার নির্মাণ শুরুহয়। কিন্তু এর ভিত্তি স্থাপন অসমান হওয়ায় এর নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়। ১০০ বছরপওে পূনরায়এটির নির্মাণকাজ শুরুহয়। কিন্তু হেলানোটা ওয়ারটি আরকখনও সোজা হয়নি।
ঘটনা ৩: ১৬৬৬ সালে, লন্ডনে যে ভয়াবহঅগ্নিকান্ডের ঘটনা তাতে কমপক্ষে ১৩,৫০০ ঘরবাড়িপুড়েছাইহয়েযায়। কিন্তু আশ্চর্যেরব্যাপারহলো এই দুর্ঘটনায় মাত্র আটজন মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।
ঘটনা ২: ভাবতেওঅবাক লাগে। বিশে^ সবচেয়ে প্রাচীন পার্লামেন্ট এত দিন আগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং তাএখনও কার্যকর আছে! ৯৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত আইসলেন্ড পার্লামেন্টটি সবচেয়েপ্রাচীন পার্লামেন্ট খেতাব পেয়েছে।
ঘটনা ১: ১৮০৭ সালেরঘটনা। সে বছর জুলাইমাসে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করারজন্য চুক্তি করেন নেপোলিয়ন। এর পর এটি উদ্যাপনের জন্য গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে খরগোশ শিকাওে যান তিনি। কিন্তু খরগোশ শিকার তো দুরেরকথা,  উল্টো তিনিই দলবলসহ খরগোশদের আক্রমনের শিকার হন। সবচেয়ে আর্শ্চযের কথাহল খরগোশদের আক্রমনের লক্ষ্য ছিল স্বয়ং নেপোলিয়নই। ছোট এবং নিরিহ এই প্রাণীগুলোর দল হামাগুড়ি দিয়ে পেছন দিক থেকে এসেতার পা কামড়েধরে। তিনি হুমরি খেয়েপড়েযান। এরপরওখরগোশের দলটিতাকেআক্রমনকরতে থাকে। মাত্র ৪০ মিনিটের কম সময়েতিনিখরগোশদের কাছে পরা¯ Íহন। অবশেষে নেপোলিয়নবাহিনী এসে তাকে উদ্ধার করে।
কমেন্ট সেকশনে গিয়ে অবশ্যই জানাবেন আমার লিখাটি কেমন হয়েছে। এরকম আরও অদ্ভুদ সব মজার ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারবেন আমার পরবর্তী গল্পে।

 

Comments

comments