শিবগঞ্জ উপজেলায় সংরক্ষিত আসনের উপ-নির্বাচন সম্পন্ন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সংবাদদাতাঃ
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফশীল অনুযায়ী চাঁপাইবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত আসনের উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্যদিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলার ৫টি আসনের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ৪টি আসনে নির্বাচিত হন ৪ নারী সদস্য। অপর একটি আসনে একাধিক প্রার্থী থাকায় নির্বাচন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হয়। সোমবার উপজেলা মিলনায়তনে সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলে দুপুর ২টা পর্যন্ত। উপজেলার ৪৮টি ভোটের মধ্যে ৪৩টি ভোট পড়ে। টেবিল প্রতীক নিয়ে ২৮টি ভোট পেয়ে মোসাঃ রেহেনা বেগম নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বদ্বী প্রার্থী মোসাঃ সুফিয়া বেগম পান ১৪টি ভোট। আর একটি ভোট বাতিল হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাচন অফিসার রায়হান কুদ্দুস। ৪টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত ৪ নারী সদস্যরা হলেন- ১ নং আসনে  মোসাঃ তানজিলা বেগম, ২ নং আসনে  মোসাঃ শাহনাজ বেগম, ৩ নং আসনে মোসাঃ ফেরদসী বেগম এবং ৫ নং আসনে নির্বাচিত হয়েছেন মোসাঃ আকলিমা বেগম। ভোটগ্রহণ চলাকালীন সময়ে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তা কাজে নিয়োজিত  ছিলেন।

পৌর কর্মকর্তা কর্মচারীদের কর্মবিরতি,অন্ধকারে পৌরবাসী

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সংবাদদাতা :দাবি আদায়ের লক্ষে সারাদেশের ন্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের চারটি পৌরসভার কর্মকর্তা -কর্মচারীদের কর্মবিরতি চলছে। সরজমিনে শিবগঞ্জ পৌরসভায় গিয়ে দেখা যায় সকল কর্মকর্তা কর্মচারীগণ তিনদিনের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছে। বাংলাদশ পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারী এসোসিয়েশনের আহবানে দ্বিতীয় দিনের মত সোমবার সকাল থেকে শিবগঞ্জ পৌরসভার প্রধান ফটকের সামনে   কর্মবিরতি শুর করে পৌর কর্মকর্তা কর্মচারী এসোসিয়েশন। শিবগঞ্জ পৌরসভা কর্মকর্তা কর্মচারী এসোসিয়েশনের সভাপতি মোবারক হোসেনের সভাপতিত্বে এ কর্মবিরতি অনুষ্ঠিত হয়। তিনি জানান, সকল প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী সরকারী সকল সুবিধা ভোগ করলেও আমরা একই রকম পরিশ্রম করেও সেই সুবিধা ভোগ করতে পারিনা। অবিলম্বে আমাদর সরকারি কোষাগার হতে বেতন ভাতা প্রদানের দাবি জানাচ্ছি। কর্মসূচি বাস্তবায়ন না হলে এর চাইতেও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে তিনি জানান। এদিকে সকাল থেকে এই কর্মবিরতি শুর হলে সেবা নিতে আসা অনেক পৌর নাগরিকদের ফিরে  যেতে দেখা যায়। ফলে নাগরিকরা চরম দূর্ভোগে পড়ে। সেবা নিতে আসা মোসাঃ রাজিয়া সুলতানা বলেন- এর আগেও এসে দেখি যে, এমন কর্মবিরতি চলছে আর আমরা বারবার ফিরে যাছি এটা ভাল না বরং আমাদের দুর্ভোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে। তিনি আরও বলেন, এ আন্দোলনের ফলে আমরা যারা পৌরবাসি তারা ভোগান্তিতে পড়েছি। পৌরবাসী অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল, রাতের বেলা পৌর এলাকার রাস্তার পার্শ্ব বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ব্যবহৃত বাতি জলেনি কর্মবিরতির কারণে। এব্যাপার শিবগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবদুল বাতেন জানান, কর্মবিরতির কারণে জেলার চারটি পৌরসভা ছিল অন্ধকারে নিমজ্জিত। তিনদিনের কর্মবিরতি পালনের দ্বিতীয় দিন উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ পৌর কর্মকর্তা কর্মচারী এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবদুল বাতেন, কোষাধ্যক্ষ ইসরাফিল হকসহ ৩৫ জন কর্মকর্তা কর্মচারী।

Comments

comments