ব্রেকিং নিউজ

কক্সবাজারে বিমান বাহিনীর ২ প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত

প্রতিবেদক :
কক্সবাজার জেলার মহেশখালীতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর দু’টি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে, বিমানের ৪ পাইলটকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ (বুধবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মহেশখালীর পুটিবিলায় প্রথম একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়। একই সময় অপর বিমানটি ছোট মহেশখালীর মাইজপাড়া পাহাড়ি এলাকার পানের বরজে বিধ্বস্ত হয়।

মহেশখালীর পুটিবিলার বাসিন্দারা জানান, সন্ধ্যার দিকে তারা হঠাৎ আকাশে কিছু একটা জ্বলতে দেখেন। এর একটু পরেই বিমানটি আবদুল কাদিরের দুই কক্ষের বাড়িতে আছড়ে পড়ে। ওই কক্ষে থাকা দুই ভাইবোন সুরভী (১৪) ও ফয়সাল (১০) আহত হয়। আহত হন জিয়াউর রহমান (৩৯), মোহাম্মদ হাসান (১৮) নুরুন্নাহার (৩০) ও তিন পথচারী। উদ্ধার অভিযান চলার সময় আহত হন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী আরিফ উল্লাহ (৩০)।

জানা গেছে, ইয়াক-১৩০ মডেলের এ দুটো বিমান একই সময়ে চট্টগ্রাম বিমানবাহিনীর ঘাঁটি থেকে উড্ডয়নের পরপরই রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ দুটি বিমানে দু’জন করে চারজন বৈমানিক ছিলেন। তারা হলেন- বিমান বাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন শরীফ, উইং কমান্ডার রাজীব, উইং কমান্ডার আজিম ও স্কোয়াড্রন লিডার মনির। তারা বিমান দুটোতে আগুন ধরার সঙ্গে সঙ্গে প্যারাসুটের মাধ্যমে প্রাণ রক্ষা করতে সক্ষম হন। তারা ফরমেশান ফ্লাইংয়ের (পাশাপাশি দুটো উড্ডয়ন) সময় এ দুর্ঘটনার শিকার হন। 

বিধ্বস্ত হওয়ার পর বিমানে আগুন ধরে যায়
মহেশখালীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম জানিয়েছেন, “বিমানটি ওই এলাকার জনৈক আবদুস সাত্তারের বাড়ির ওপরের অংশ উড়িয়ে নিয়ে পাশের ধানক্ষেতে বিধ্বস্ত হয়। ওই সময় দুই শিশু আহত হয়েছে। বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ২০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।”

এদিকে, আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) সহকারী পরিচালক (বিমান বাহিনী ডেস্ক) নূর ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, দু’টি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়। বিমান দু’টিতে চারজন ছিলেন। তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কিছুক্ষণ আগ থেকে বিমান দু’টি রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল বলে তিনি জানান।

Comments

comments