ব্রেকিং নিউজ

২০১৮ সালে মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন করবে পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইসলামাবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এয়ারটেক ’১৭ এর উদ্বোধনী অধিবেশনে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল সোহাইল আমান জানিয়েছেন যে, পরবর্তী প্রজন্মের জঙ্গিবিমান তৈরি, স্যাটেলাইট কর্মসূচি ও মনুষ্যবাহী মহাকাশ মিশনে পাকিস্তানকে সহায়তা করছে চীন।

আমান উপস্থিত শ্রোতাদেরকে জানান, “পরবর্তী প্রজন্মের জঙ্গিবিমান তৈরির জন্য চীনা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পাকিস্তান কাজ করছে। স্যাটেলাইট উৎক্ষেপনের জন্যও চীন প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে।”

“প্রজেক্ট আজম”-এর অধীনে ৫ম-প্রজন্মের ফাইটার তৈরির কাজ করছে পাকিস্তান বিমানবাহিনী। ভবিষ্যতে প্রয়োজনকালে পাকিস্তানকে সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি প্রজেক্ট আজম নিজস্ব প্রযুক্তিতে উচ্চমানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়নের ক্ষেত্রে পাকিস্তানকে স্বনির্ভর করবে এবং পাকিস্তানের বিমান শিল্পের প্রসার ঘটাবে।

গত জুলাইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে প্রজেক্ট আজম। এ ব্যপারে আমান আরো বলেন, এখানে কর্মরতদের ৬০ শতাংশই বেসামরিক লোক এবং জঙ্গিবিমানটি তৈরিতে পাঁচ বছর সময় লাগবে।

প্রজেক্ট আজমের অধীনে পাকিস্তান অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্সের (পিএসি) এভিয়েশন ডিজাইন ইন্সটিটিউটকে (এভিডিআই) একটি “মিডিয়াম-অলটিচুড লং-এনডিউরেন্স (এমএএলই) আনম্যান্ড এরিয়াল ভেহিকেল (ইউএভি)” (মধ্যম-উচ্চতার দীর্ঘ-সহনশীল মনুষ্যহীন আকাশযান) ডিজাইন করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আমান এটাও জানান যে, বিমানটি তৈরি হবে ১৮ মাসের মধ্যে।

পাকিস্তানের নিজস্ব শিল্পের উন্নয়ন এবং বিদেশী সরবরাহের উপর নির্ভরতা কমানোর বিষয়টি আবারও উল্লেখ করে পাক বিমানবাহিনী প্রধান বলেন, ২০২০ সালের মধ্যে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সমরাস্ত্রের সিংহভাগই নেয়া হবে পাকিস্তানের ভেতর থেকে।

প্রজেক্ট আজমের পাশাপাশি মহাকাশ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও পাকিস্তানকে চীন সহায়তা করছে বলে জানান বিমানবাহিনী প্রধান।

তিনি জানান, ভূমি-পর্যবেক্ষণের উপযোগী ‘পাকিস্তান রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট’ (পিআরএসএএস-১) ২০১৮ সালের মার্চে উৎক্ষেপণের কথা রয়েছে। স্যাটেলাইট উন্নয়নে পাকিস্তানকে সহায়তার পাশাপাশি আগামী দুই বছরের মধ্যে পাকিস্তানের নভোচারী মহাকাশে পাঠানোর ব্যপারেও চীন সহায়তা করবে।

Comments

comments