ভারতীয় ঋণে সৈয়দপুর বিমানবন্দর উন্নীতকরণ প্রকল্প


নীলফামারী প্রতিনিধি ॥ 
নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আঞ্চলিক আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে উন্নীতকরনের কাজ খুব শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগীতা ও সম্পর্ক জোরদার করতে সম্প্রতি ঢাকায় তৃতীয় ধাপ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই প্রকল্পে ভারত সরকার সহজ শর্তে ঋণ দেবে। 
সূত্রে জানা যায়, ওই স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় দেশে ১৭টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সহজ শর্তে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে ভারত। যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা। লাইন অব ক্রেডিটের আওতায় এ ঋণ দেবে ভারত। এ ঋণের আওতাভুক্ত ১৭টি প্রকল্পের মধ্যে সৈয়দপুর বিমানবন্দর উন্নতকরণ প্রকল্প রয়েছে। এ উন্নয়ন প্রকল্পে বড় অংকের টাকা ব্যয় করে বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে। এর মধ্যে জমি অধিগ্রহন, রানওয়ে সম্প্রসারণ, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, টার্মিনাল ভবন আধুনিকীকরণসহ বেশ কিছু প্রকল্প অন্তরভূক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে। 
ঋণের শর্তের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় ঠিকাদার এসব প্রকল্পের কাজ পাবেন এবং পূর্ত কাজ হলে ৬৫ ভাগ মালামাল ও সেবা ভারত থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এর অন্যান্য ৩৫ ভাগ কাজ দেশীয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান করতে পারবে।
সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক শাহীন হোসেন জানান, বিমানবন্দর উন্নয়নের প্রস্তাবনা চুড়ান্ত অনুমোদনের পর ঋণের অর্থ ছাড় পাবে। এরপর শুরু হবে উন্নয়ন প্রকেল্পর কাজ। 

 

নীলফামারী-সৈয়দপুর সড়ক সম্প্রসারণে ২২৫ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন    
 

নীলফামারী-সৈয়দপুর সড়ক সম্প্রসারণে ২২৫ কোটি টাকার প্রকল্প পাস হয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে(একনেকে)। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর নীলফামারী কার্যালয় সূত্র জানায়, নীলফামারী শহরের চৌরঙ্গি মোড় থেকে সৈয়দপুর ওয়াপদা পর্যন্ত সাড়ে ১৫ কিলোমিটার রাস্তা সম্প্রসারণে ২২৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। এরমধ্যে জমি অধিগ্রহণ, বাঁধ প্রশস্তকরণ, আরসিসি কালভার্ট নির্মাণ, ড্রেন নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম রয়েছে।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর নীলফামারীর নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের মোহাম্মদ হামিদুর রহমান জানান, পরিকল্পনা কমিশনের ‘নীলফামারী-সৈয়দপুর মহাসড়ক প্রশস্তকরণ ও মজবুতি করণ’ শীর্ষক শিরোনামে প্রকল্প পাস হয়েছে এননেকে।
সওজ সূত্র জানায়, বর্তমানে ১৮ ফিটের সড়কটি সম্প্রসারিত হয়ে ৩২ ফিটে উন্নীত হবে। এজন্য জমি অধিগ্রহণ, বিদ্যুতের পোল সরানো, গাছ কর্তনের জন্য প্রক্রিয়া শুরু করা হবে দ্রুত। চলতি অর্থবছরেই সড়ক সম্প্রসারণের কাজ শুরু করা হবে। 
নির্বাহী প্রকৌশলী হামিদুর রহমান বলেন, নীলফামারীবাসীর জন্য সুফল বয়ে আনবে ব্যস্ততম সড়কটি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নীলফামারী জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও নীলফামারী পৌরসভা মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ জানান, এই সড়টি এখন অত্যন্ত ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে উত্তরা ইপিজেডের কারণে আরও গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক যাতায়াত করেন সকালে ও বিকেলে। ওই দুই সময়ে পুরো সড়কে যানজটের ফলে চলাচল বিঘিœত হয় মারাত্মক ভাবে।

 

Comments

comments