ব্রেকিং নিউজ

নেতিবাচক আবেগে অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়ে

৪৩৪
লাইফস্টাইল ডেস্ক:
শুধু খাওয়া-দাওয়ার অনিয়ম করলেই যে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ে এমনটি নয়। এর পেছনে মূলত আরও অনেক কারণ দায়ী। আধুনিক বিজ্ঞানের এই যুগে অসুস্থতার অন্যতম কারণই হলো নেতিবাচক আবেগ। এই ধরনের আবেগের বহি:প্রকাশে ভবিষ্যতে অ্যাজমা, হার্ট অ্যাটাক কিংবা ডায়াবেটিসের মতো বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। আবার এর কারণে কারও জীবন প্রদীপও নিভে যেতে পারে। সাধারণত মানুষ রেগে গেলে নেতিবাচক আবেগের প্রকাশ ঘটে। এতে করে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকিও অনেক বেড়ে যায়। কাজেই সুস্থতার জন্য প্রতিদিন সব কাজেই ইতিবাচক আবেগ প্রকাশ করুন।

 আপনার অসুস্থতার পেছনে যেসব নেতিবাচক আবেগ দায়ী-

বিরক্তিভাব প্রকাশ
সবসময় বিরক্তি প্রকাশ করলে তা যকৃতে এক ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে যকৃতের ক্ষতি সাধিত হয়। এ ধরনের আবেগ থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন সকালে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে পান করুন। এভাবে নিয়মিত করলে বিরক্তিভাব একদম চলে যাবে।

দুশ্চিন্তা
সবসময় ক্যাফেইন এবং চিনি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। এজন্য স্যুপ এবং হালকা গরম খাবারের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে তরল খাবার খান। অর্থ, ক্যারিয়ার, পরীক্ষা এবং ভালোবাসা নিয়ে চিন্তা আসতেই পারে। তখন এসব নিয়ে দুশ্চিন্তা করাটা এর প্রকৃত সমাধান নয়। বরং ভাবুন সমস্যা থেকে কীভাবে পরিত্রাণ পাবেন। সমাধানের পথ খুঁজে পেলেই দেখবেন আর অসুস্থ হবেন না।

নিজেকে দোষারোপ করা
কোন একটা ভুল কাজের জন্য নিজেকে বারবার দোষারোপ করছেন এটা ঠিক নয়। এ ধরনের চিন্তাভাবনা আপনাকে আরও বেশি অসুস্থ করে তোলে। বরং ভাবুন আমি যেটা করেছি তা আর কখনই করবো না। ভবিষ্যতে অবশ্যই ভালো কিছু করবো। এতে করে নিজেকে অনেক হালকা লাগবে।

দুঃখ করা
যখন আপনার কোন নিকট আত্মীয় মারা যাবে, সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবে, ক্যারিয়ার কিংবা জীবনের কোন স্বপ্ন ভেঙ্গে যাবে তখন দুঃখ প্রকাশ করবেন না। বরং এ সময় নিজেকে বেশি করে সান্ত্বনা দিন এবং ভবিষ্যতে ভালো কিছুর জন্য ধৈর্য্য ধারণ করুন। এতে করেও অসুস্থতার হাত থেকে রেহাই পাবেন। এ সময় সতেজ ফলমুল, সবজি এবং সালাদ বেশি করে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিরক্ত হওয়া
যে কোন কাজে কিংবা কারও কথায় বার বার বিরক্ত হলে অসুস্থতায় পড়ার হার বেড়ে যেতে পারে। কাজেই সুস্থ থাকতে এ সময় যোগব্যায়ামের বিকল্প নেই। এই ব্যায়াম করলে মন ভালো থাকার পাশাপাশি শরীরও সুস্থ থাকে।

জীবনে বাঁচতে গেলে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তা আসবেই। সেগুলোর নেতিবাচক আবেগের প্রকাশ না ঘটিয়ে বরং ইতিবাচক আবেগটাকেই বেশি প্রাধান্য দিন। সেইসঙ্গে সমাধানের পথ খোঁজার চেষ্টা করুন। এতে করে সুস্থ থাকা সহজ হবে।

Comments

comments