ব্রেকিং নিউজ

গান্ধীর অহিংসার বানী যুবসমাজকে শান্তি প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসতে হবে

gandhi-thebdexpress
 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 
মহাত্মা গান্ধীর অহিংসার আদর্শে সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে যুবসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। যুদ্ধ ও সন্ত্রাস দ্বারা শান্তি প্রতিষ্ঠা হয় না, অশান্তি বাড়ায়। এজন্য বৈষম্য কমিয়ে আনা, সন্ত্রাস ও জঙ্গি দূর করতে গান্ধীর আদর্শে প্রচার ও প্রসার করতে হবে। 

মহাত্মা গান্ধীর ১৪৭তম জন্মজয়ন্তী এবং অহিংসা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে এ আলোচনার আয়োজন করে গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। 

সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউকে হাইকমিশনার এলিসন ব্লেক, জাতিসংঘের নিক রারেসফোর্ড, ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হর্ষ বর্ধন শিংলা, সংসদ সদস্য পংকজ দেবনাথ ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী প্রমুখ। 

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, গান্ধীর মত মহান ব্যক্তি পৃথিবীতে বার বার আসেন না। তিনি যখনই আন্দোলন করছিলেন, সেটা ছিল অসহিংস। এটাই উনাকে অনন্য পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। 

তিনি বলেন, গান্ধীর আদর্শ পৃথিবীর কোন প্রান্ত থেকে কখনো হারিয়ে যাবে না। প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে না। তিনি শুধু এক সমাজ বা দেশের নয়, তিনি সবার জন্য আদর্শ অনুকরণীয়। 

পরিকল্পনা নিয়ে সমাজের সব শ্রেণির মানুষের জন্য উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। বিশেষ করে যুবসমাজকে কাজে লাগাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

হর্ষ বর্ধন বলেন, গান্ধী আশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশে কল্যাণমূলক কাজ চলছে। ভারতের এই জাতির পিতা বাংলাদেশে এসেছিলেন, তার অনেক স্মৃতি এখনো রয়ে গেছে। 

তিনি আরো বলেন, গান্ধী জি সব সময় যুবদের নিয়ে কাজ করেছেন। যুবকদের তিনি উজ্জীবিত করেছেন। তার এই স্পিরিটকে কাজে লাগিয়ে এদেশের যুবসমাজ নারী নির্যাতন, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদকে প্রতিহত করতে পারে।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, দেশে যুবক ও তরুণ শ্রেণি বেশি। দেশকে এগিয়ে নিতে তাদের মূল্যায়ন করতে হবে। এখন সেভাবে তাদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। তরুণদের চিন্তা চেতনাকে মূল্যায়ন ও চিন্তা রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়ন না করলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। 

Comments

comments