ব্রেকিং নিউজ

রাষ্ট্রপক্ষের আপীল খারিজঃ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপতার পুলিশী হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ অবৈধ

suprim court-thebdexpress

দ্য বিডি এক্সপ্রেস ডটকমঃ

৫৪ ধারায় গ্রেপতার ও পুলিশী হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের ধারা (১৬৭ ধারা) সংশোধনে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপীল খারিজ করে দিয়েছে আপীল বিভাগ। কিছু সংশোধন সাপেক্ষে হাইকোর্টের রায়ই আপীল বিভাগ বহাল রেখেছেন। এর ফলে ৫৪ ও ১৬৭ ধারা সংশোধনের পক্ষেই এসেছে আপীলের রায়।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যবিশিষ্ট আপীল বেঞ্চ এ রায় প্রদান করেন। রায়ে আদালত বলে, রাষ্ট্রপক্ষের আপীল খারিজ করা হলো। তবে হাইকোর্টের রায়ের নির্দেশনাগুলোতে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। পূর্ণাঙ্গ রায়ে বিষয়গুলো জানা যাবে। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, এ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও অতিরিক্ত এ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা। রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ড. কামাল হোসেন ও ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন।

আইনমন্ত্রী বলেছেন, পূর্ণাঙ্গ রায় বের না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করা যাবে না। তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা খারাপ বলে মনে করেন না তিনি। আদালত নির্দেশনা দিলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে সরকার। অপরদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা ও ১৬৭ ধারা প্রয়োগের বিষয়ে সর্বোচ্চ আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়ে নীতিমালা প্রকাশের পর সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন, বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার ও রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে সুপ্রীমকোর্টের আপীল বিভাগ যে পূর্ণাঙ্গ রায় দেবে তার আলোকে সরকার পদক্ষেপ নেবে।

হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছিল, ডিটেনশন (আটকাদেশ) দেয়ার জন্য পুলিশ কাউকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করতে পারবে না। কাউকে গ্রেফতার করার সময় পুলিশ তার পরিচয়পত্র দেখাতে বাধ্য থাকবে। গ্রেফতারের তিন ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে কারণ জানাতে হবে। ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের (রিমান্ড) প্রয়োজন হলে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে কারাগারের ভেতরে কাচ দিয়ে নির্মিত বিশেষ কক্ষে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। কক্ষের বাইরে তার আইনজীবী ও নিকটাত্মীয় থাকতে পারবেন। জিজ্ঞাসাবাদের আগে ও পরে ওই ব্যক্তির ডাক্তারি পরীক্ষা করাতে হবে প্রভৃতি।

আপীল বিভাগের রায়- মেনেই সরকার ব্যবস্থা নেবে ॥ এ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার ও রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে সুপ্রীমকোর্টের আপীল বিভাগ যে পূর্ণাঙ্গ রায় দেবেন তার আলোকে সরকার পদক্ষেপ নেবে। মঙ্গলবার দুপুরে এ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মাহবুবে আলম বলেন, বর্তমান সামাজিক বাস্তবতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই আদালত রায় দেবেন। দেশে মানুষকে কুপিয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও চিকিৎসককে তাদের মতাদর্শের কারণে হত্যা করা হয়েছে। এসব হত্যাকা-ের পিছনে যারা জড়িত তাদের গ্রেফতার করবে পুলিশ। আর গ্রেফতারের বিষয়েও হাইকোর্টের কিছু নির্দেশনা ছিল। রায়ের নির্দেশনা অনুসরণ সম্ভাব্যতা যাচাই করে আদালতকে জানানো হবে। দেশে বর্তমান আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়টা মাথায় রেখেই আদালতকে বিষয়টি জানানো হবে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে সাদা পোশাকে যারা গ্রেফতার করতে যায় তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ নয়। পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার ও রিমান্ড বিষয়ে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপীল খারিজের পর মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ফৌজদারি আইনে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার বিষয়ে ৫৪ ধারা ও রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে ১৬৭ ধারা নিয়ে সুপ্রীমকোর্টের আপীল বিভাগ যে রায় দিয়েছে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, সুপ্রীমকোর্ট যে রায় দিয়েছে তো যথাযথভাবে পালন করা হবে। ফৌজদারি আইনের ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারা সংশোধন সংক্রান্ত উচ্চ আদালতের রায় প্রত্যেককে মেনে চলতে হবে। যদি ৫৪ ধারার অপব্যবহারে কোন অপরাধ হয়, তবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্টদের বিচার করা হবে।’ পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পেলে আমরা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেব। সুপ্রীমকোর্টের নির্দেশনা আসলে আমরা দেখতে পাব- কোথায় আমাদের ঘাটতি হচ্ছে। সেটা আমরা দেখে ব্যবস্থা নেব।

মামলার বিবরণ ॥ মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯৯৮ সালে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে বেসরকারী ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির ছাত্র শামীম রেজা রুবেলকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করার পর ওই বছরের ২৩ জুলাই মিন্টো রোডে গোয়েন্দা পুলিশ-কার্যালয়ে তার মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর বিচারপতি হাবিবুর রহমান খানের নেতৃত্বে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে সরকার। তদন্ত শেষে কমিটি ৫৪ ও ১৬৭ ধারা সংশোধনের পক্ষে কয়েকটি সুপারিশ করে।

সেসব সুপারিশ বাস্তবায়ন না হওয়ায় বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করে। তার চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৩ সালের ৭ এপ্রিল হাইকোর্ট এ বিষয়ে কয়েকদফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেয়। রায়ে ছয় মাসের মধ্যে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার ও হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে প্রচলিত বিধি সংশোধন করার পাশাপাশি ওই ধারা সংশোধনের আগে কয়েক দফা নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয় সরকারকে। রাষ্ট্রপক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপীলের অনুমতি চেয়ে আবেদন করলে ২০০৪ সালে তা মঞ্জুর হয়। তবে হাইকোর্টের নির্দেশনা সে সময় স্থগিত করা হয়নি। এর ধারাবাহিকতায় গত ২২ মার্চ আপীল বিভাগে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়। দুই কার্যদিবস শুনানি করে গত ১৭ মে আদালত রায়ের জন্য ২৪ মে দিন ঠিক করে দেয়।

হাইকোর্টের নির্দেশনা ॥ হাইকোর্ট যে ১৫টি নির্দেশনা প্রদান করেন তার মধ্যে রয়েছে, (১) ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে ডিটেনশন বা আটকাদেশ দেয়ার জন্য পুলিশ কাউকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করতে পারবেন না। (২) কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতারের সময় পুলিশ অফিসার তার পরিচয় প্রদান করবেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিসহ অন্যান্য ব্যক্তিসহ উপস্থিত অন্যান্য ব্যক্তিকেও তার পরিচয়পত্র দেখাবেন। (৩) গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে থানায় আনার পর সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার দ্রুত গ্রেফতারের কারণসমূহ থানার কেস ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করবেন। যেমন আমলযোগ্য অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য, অপরাধের বিস্তারিত বিবরণ, যে পদ্ধতিতে গ্রেফতার করা হয়েছে, তথ্যের উৎস এবং তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যাতার কারণ, স্থানের বর্ণনা, সময় ও গ্রেফতারের সময় ও তারিখ গ্রেফতারের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের নাম ঠিকানা। (৪) যদি গ্রেফতারের সময় পুলিশ অফিসার গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান তাহলে তিনি আঘাতের কারন লিখবেন এবং তাকে চিকিৎসার জন্য নিকটস্থ হাসপাতাল বা সরকারী চিকিৎসকের কাছে নিবেন এবং এবং চিকিৎসা প্রদানকারী ডাক্তারের সনদ নিবেন। (৫) থানায় আনার তিন ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ অফিসার গ্রেফতারকৃতকে গ্রেফতারের কারণ জানাবেন। (৬) বাসস্থান বা কর্মসংস্থান ছাড়া অন্য কোন স্থান থেকে কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হলে, গ্রেফতারকৃতকে থানায় আনার এক ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ তার আতীœয়-স্বজনকে টেলিফোনে বা বিশেষ বার্তাবাহক মারফত গ্রেফতারের সংবাদটি জানাবেন। (৭) গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির ইচ্ছা অনুযায়ী পুলিশ গ্রেফতারকৃতকে তার পছন্দ মতো আইনজীবী বা নিকটাত্মীয় সঙ্গে পরামর্শ করতে বা দেখা করতে দেবেন। (৮) পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদনসহ নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করবেন। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারলে পুলিশ কর্মকর্তা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(১) ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত ফরোয়ার্ডিং-এ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত শেষ করতে না পারার কারণ এবং গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তথ্য কেন সঠিক তা বর্ণনা করবেন। একই সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তা এ সংক্রান্ত মামলার ডাইরী সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট উপস্থাপন করবেন। (৯) গ্রেফতারকৃত বক্তিকে আদালতে উপস্থাপনের সাথে প্রদত্ত ফরোয়ার্ডিং এবং মামলার ডায়েরিতে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তথ্যের যথার্থতা সম্পর্কে বর্ণিত কারণসমূহ বিবেচনা করে ম্যাজিস্ট্র্রেট যদি সন্তুষ্ট হন যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির আটকের কারণ সুদৃঢ তা হলে তিনি গ্রেফতারকৃতকে কারাগারে আটকের নির্দেশ দিবেন। অন্যথায় তাৎক্ষণিক মুক্তি দিবেন। (১০) আদালতের প্রদত্ত ফরোয়ার্ডিংয়ে গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তথ্যের যথার্থতা সম্পর্কে বর্ণিত কারণসমূহ সুদৃঢ় না হওয়ায় এবং মামলায় ডায়েরিতে কোন উপাদান না পাওয়ায় যদি ম্যািজস্ট্রেট কাবে মুক্তি দেন, তা হলে তিনি (ম্যাজিস্ট্রেট) বিনা পরোয়ানায় গ্র্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ-বিধির ২২০ ধরায় অপরাধ করার জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০(১)(সি) ধারা অনুয়ায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। (১১) যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেট পুনরায় জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ প্রদান করেন, তা হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তের প্রয়োজনে এক পাশে কাচের দেয়ালে ও গ্রিল দিয়ে বিশেষভাবে নির্মিত কক্ষে জিজ্ঞাসাবাদের দৃশ্যটি দেখতে পারলেও জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টি শুনতে পারবেন না। (১২) যদি তদন্ত কর্মকর্তা গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়ার আবেদন করেন তা হলে তিনি উক্ত আবেদনে তার বিস্তারিত কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং কেস ডাইরি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট উপস্থাপন করবেন। অভিযোগকারীকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হলে তিনি কারণ লিপিবদ্ধ করে সর্বোচ্চ তিনি দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতে দেয়ার অনুমোদন দিতে পারবেন। (১৩) যদি গ্রেফতারকৃতকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণের ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ অনুমোদন পায় তা হলে উক্তি ব্যক্তিকে তদন্তকারী কর্মকর্তার হেফাজতে নেয়ার পূর্বে অবশ্যই দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারী ডাক্তার বা মেডিক্যাল বোর্ড দ্বারা ডাক্তারী পরীক্ষা করবেন এবং ডাক্তারী পরীক্ষার প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দাখিল করবেন। (১৪) যদি থানা বা পুলিশ হেফাজত বা জেলখানায় আটক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে তবে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা হেফাজতে নেয়া তদন্তকারী কর্মকর্তা বা জেলখানার জেলার এই মৃত্যুর খবর নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন। (১৫) পুলিশ হেফাজতে বা জেলে কোন মৃত্যুর সংবাদ পাবার পর ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত করার জন্য অবশ্যই অতি দ্রুত ঘটনাস্থলে যাবেন এবং কোন ধরনের অস্ত্রে বা কি ভাবে শরীরে ক্ষত হয়েছে তা উল্লেখ করে মৃত্যুর কারণের প্রতিবেদন তৈরি করবেন পাশাপাশি মৃত ব্যক্তির ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করবেন।

 

Comments

comments