ব্রেকিং নিউজ

এসএমই খাতে ১ লাখ সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা

taka-thebdexpress

দ্য বিডি এক্সপ্রেস.কম।।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়নে ২০১৬ সালে ১ লাখ সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা ২০১৫ সালের তুলনায় ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেশি।
বৃহস্পতিবার এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক নির্মল চন্দ্র ভক্ত এ সব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ২০১৫ সালে সিএমএসএমই খাতে বাৎসরিক ঋণ বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৪ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা। এই লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৭ লাখ ২৪ হাজার ৯০৩ জন উদ্যোক্তার মধ্যে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৭০ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। যা বাৎসরিক লক্ষ্যমাত্রার চাইতে ১০ দশমিক ৭৯ শতাংশ বেশি।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, গত বছর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা লি ১২ হাজার ৫৩ কোটি টাকা। এর বিপরীতে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ১০ হাজার ৬১০ কোটি টাকা।
বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মধ্যে ১৬০০ কোটি টাকার ঋণ বিতরণে লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও বিতরণ করতে পেরেছে ৭১৮ কোটি টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ কম।
বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর ৪৫ হাজার ৭৬০ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৫১ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান মোট ১১ হাজার ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৭০ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করেছে। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১১০ দশমিক ৭৯ 
শতাংশ বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) স্বপন কুমার রায় বলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থিক খাতের নীতি সহায়তা দিয়ে থাকে। এসএমইর উন্নয়নেও যত ধরনের সহায়তা প্রয়োজন সব দিয়ে যাচ্ছে। পুনঃঅর্থায়ন থেকে শুরু করে, ঋণের ধরন, কিভাবে তা হবে, কারা পাবেন, সুবিধাভোগীদের বৈশিষ্ট্য কি হবে, সবকিছু সার্কুলার আকারে দেয়া হয়েছে। তার ওপর খাতভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। যেমন প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ তহবিল, নারীদের, নতুন উদ্যোক্তা, অ্যাগ্রো উদ্যোক্তা, এভাবে প্রতিটি খাতের জন্য আলাদা বিশেষ তহবিল দেয়া হয়েছে। 
তিনি বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান আসার আগে এখাতে কোনো গুরুত্ব ছিল না। তিনি গবেষণা করে দেখেছেন, দেশের জিডিপি বাড়াতে হলে, এসএমইর উন্নয়নের বিকল্প নেই। কেননা বৃহৎ শিল্পের জন্য যে ধরনের বড় অঙ্কের মূলধন, প্রযুক্তি দরকার, বাংলাদেশে তা নেই। এসএমইর উন্নয়ন হলে গোটা শিল্প খাতের উন্নয়ন হবে। যেমন_ তাইওয়ান, জাপান, চীন এসব দেশের অর্থনীতির যে ইতিহাস, এরাও আগে এসএমই খাতের উন্নয়নে কাজ করেছে। এ খাতের উন্নতির পরেই জাপান এখন বৃহৎ শিল্পের দিকে অগ্রসর হয়েছে। তাই আমাদের আগে এসএমইর উন্নতি করতে হবে, যা পরে বৃহৎ শিল্পের দিকে রূপান্তর হবে। 

Comments

comments