ব্রেকিং নিউজ

উগ্রবাদী জঙ্গিগোষ্ঠীরা কাদিয়ানি সম্প্রদায়কে অমুসলিম মনে করে

Sikder-thebdexpress

দ্য বিডি এক্সপ্রেস.কম

রাজশাহীর বাগমারায় আহমদিয়া সম্প্রদায়ের মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলা, বগুড়ার শিয়া মসজিদে গুলি এবং দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেসব হামলা ইদানিংকালে হচ্ছেÑ এসব হামলা উগ্রবাদী জঙ্গিগোষ্ঠীরাই করছে। উগ্রপন্থী যেসব জঙ্গি ধরা পড়ছে, দেখা যাচ্ছেÑ জেএমবি নামের জঙ্গি সংগঠনটির সম্পৃক্ততাই মিলছে। একটি আদর্শগত অবস্থান থেকে তাদের এই সশস্ত্র সংঠন। জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি ওয়াহাবীতন্ত্র। ওয়াহাবীতন্ত্রের মতবাদ হলোÑ শিয়া সম্প্রদায়, আহমদিয়া সম্প্রদায়ের মানুষকে তারা  মুসলমান মনে করে না। অতএব, এদেরকে হত্যা করতে হবে! এটি তাদের ঘোষিত নীতি। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যাবে, এটি নতুন কিছু নয়Ñ নিরাপত্তা বিশ্লেষক মে. জে. (অব.) এ কে মোহাম্মদ আলী শিকদার পিএসসি এ মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, এই আক্রমণগুলো নিভৃত পল্লীতে পরিচালিত করা হয়। কারণ যে সমস্ত জায়গায় পুলিশি তৎপরতা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকে সে সমস্ত জায়গায় আক্রমণ করে ধরা খাওয়ার আশঙ্কা থাকায় তারা নিভৃত জায়গাকে বেছে নিয়েছে। রাজশাহীর যেখানে আত্মঘাতী বোমা হামলা করা হয়েছে, সেখানে গাড়ি যাওয়ার মতো ভালো রাস্তাও নেই। শুকনো মৌসুমে মেঠোপথ ধরে হয়তো যাওয়া যায়। ওই এলাকায় কাদিয়ানির অল্প কয়েকটি পরিবার আছে। বগুড়ার শিয়া সম্প্রদায়ের সংখ্যাও প্রায় ওইরকম।
উত্তরবঙ্গ কেন্দ্রিক হামলার ব্যাপকতার কারণ কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গের যে জায়গাগুলোতে বোমা হামলা, গুলির ঘটনাগুলো ঘটছে সেখানে জামায়াতের প্রভাব তুলনামূলকভাবে একটু বেশি দেশের অন্যান্য জায়গা থেকে। এখানে জামায়াতের বাড়িঘরে আশ্রয়-প্রশয় নেওয়ার সুবিধা রয়েছে। এসব জায়গায় থেকে যত সহজে প্রস্তুতি নেওয়া যায়, দেশের অন্য জায়গা অতটা সহজ নয়। এ জন্যই উত্তর বঙ্গকে বেছে নেয় তারা। উত্তরবঙ্গ, দেশের অন্যান্য এলাকা থেকে দরিদ্র। দ্রারিদ্র এখানে বেশি। বেকারের সংখ্যাও বেশি। যে ছেলেটি আত্মঘাতী বোমা হামলা চালাল, তার বয়স বিশ থেকে বাইশ-এর মধ্যে হবে। দরিদ্র বা বেকার এসব জনগোষ্ঠীকে টাকার প্রলোভন দেওয়া হলে অতি সহজেই তারা সেসব দলে ভীরে যায়। একবার ভীরে গেলে মগজ ধোলাই করে তাদেরকে একটা ফাঁদে ফেলা হয়, সেখান থেকে তারা আর বের হতে পারে না বলেও মনে করেন তিনি।সুত্রঃ আমাদের সময়.কম

Comments

comments