কর্ণফুলী নদীতে দেশের প্রথম টানেল নির্মানে চুক্তি স্বাক্ষর

টানেলপ্রতিবেদকঃ  সাংহাই শহরের মতো চট্টগ্রামকে “ওয়ান সিটি টু টাউন” হিসাবে গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে দেশের প্রথম টানেল নির্মানের জন্য চীনের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। চার কিলোমিটার দীর্ঘ এই টানেল নির্মাণে খরচ হবে ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। চলতি বছরেই কর্ণফুলি নদীর তলদেশে টানেল নির্মানের কাজ শুরু করা হবে জানিয়েছে যোগাযোগ মন্ত্রনালয়।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের চীন সফরে এ চুক্তি সই হলো।

 

মঙ্গলবার  চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে সে দেশের পরিবহন মন্ত্রণালয়ে এই চুক্তি সই হয়।

ঢাকা-চট্রগ্রাম-কক্সবাজার এর মধ্যে নতুন একটি সড়ক যোগাযোগ ব্যাবস্থা গড়ে তুলতেও ভূমিকা রাখবে এই টানেল। ২০১৩ সালে টানেলের সম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষা সম্পন্ন করে চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও চীনের পরিবহনমন্ত্রী ইয়াং চুয়ান চাং’-এর উপস্থিতিতে বাংলাদেশের সেতু বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ও চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন নির্মাণ প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানির চেয়ারম্যান লিউ কিচাও চুক্তি পত্রে সই করেন।

৪০০০ মিটার দৈর্ঘের টানেলের পশ্চিম প্রান্তের আপ্রোচ ৭৪০ মিটার ও পূর্ব প্রান্তের আপ্রোচ ৪৯৫২ মিটার হবে।

টানেল নির্মাণে জমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন বাবদ ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ।

প্রকল্পের জন্য ২ হাজার ৪৮৭ জন ক্ষতিগ্রস্তকে পুনর্বাসনের প্রয়োজন হবে। টানেল নির্মাণ হলে কর্ণফুলী নদীর দুই পাশে নতুন নতুন শিল্পকারখানার বিপ্লব হবে। তা ছাড়া ভবিষ্যতের প্রকল্প সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে ঢাকা এবং চট্টগ্রামের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে।

 
 

 

 

 

Comments

comments