ব্রেকিং নিউজ

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভূমি উন্নয়ন করবে সেনা কোম্পানি

rampal-sundarbanপ্রতিবেদকঃ রামপাল কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বি-ব্লকের ৯১৮ দশমিক ১৫ একর ভূমি উন্নয়ন ও বাঁধ নির্মানের কাজ দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে ডিজেল প্লান্ট লিমিটেডকে (বিডিপিএল)।

সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে ব্যয় হবে ৭৫ কোটি ১৮ লাখ টাকা।

বুধবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, বাগেরহাট জেলার রামপালে প্রথম পর্যায়ে ১৩২০ মেগাওয়াট এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে আরো ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানের জন্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) ১৮৩৪ একর ভূমি অধিগ্রহন করেছে।

অধিগ্রহন করা জায়গাকে দুটি ব্লকে ভাগ করে ব্লক-এ অংশে ৯১৫ দশমিক ৫০ একর এবং ব্লক-বি অংশে ৯১৮ দশমিক ৫০ একর রাখা হয়েছে।

ব্লক-এ অংশে বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশীপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) প্রথম পর্যায়ে ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানের কাজ করছে।  

সূত্র জানায়, ব্লক-বি অংশে জায়গার পরিমান ৯১৮ দশমিক ৫০ একর। এখানে দ্বিতীয় পর্যায়ে আরো ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। ওই জায়গার দক্ষিণ পাশ ও পূর্ব পাশের কিছু অংশ সম্পূর্ণ অরক্ষিত এবং জমি দখলের অপচেষ্টা হচ্ছে।

এ অবস্থায় ব্লক-বি বরাবর অংশের তিনদিকে সীমানা বরাবর উপবিভাগ ছয় মিটার প্রশস্ত, পাঁচ দশমিক ৫০ মিটার উচ্চতা ও পাদদেশে ৩০ মিটার প্রশস্ত এমব্যাংকমেন্ট নির্মাণ, নদীর ভাঙ্গন রক্ষার্থে পাড়ে জিইওটেক্স স্থাপন ও বাঁধের ঢালু অংশে সুরক্ষা কাজ এবং পরবর্তীতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে বাঁধের ভেতরের অংশে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে।  এতে অধিগ্রহনকৃত জমি বিউবো’র দখলে থাকবে এবং জমি নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাবে।

সূত্র জানায়, বর্তমানে ব্লক-বি এর জায়গা খালি রয়েছে। সেজন্য জরুরী ভিত্তিতে প্রস্তাবিত কাজ সম্পন্ন করা প্রয়োজন। তাছাড়া ঘষিয়াখালী খাল চালু করার জন্য ড্রেজিংয়ের বালু দিয়ে জায়গাটি ভারট করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মতি রয়েছে।

সূত্র জানায়, প্রকল্প এলাকাটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত। প্রকল্প এলাকায় সড়কপথে যাতায়াতের কোন ব্যবস্থা নেই। এলাকার জমি দখলে রাখা এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে জরুরী ভিত্তিতে মাটি ভরাট সম্পন্ন করার জন্য সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) করা প্রয়োজন।

কাজেই বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যে স্বল্প সময়ে কাজ সম্পাদনে সক্ষম এ ধরনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Comments

comments