ব্রেকিং নিউজ

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার

107776_1১৬, জানুয়ারি,বিএনপির-জামায়াতের লাগাতার হরতাল-অবরোধে যানবাহনে আগুন, সন্ত্রাস, বোমাবাজিসহ সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর হচ্ছে সরকার।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীকে বিশেষ অভিযান নামানো হতে পারে বলে জানা গেছে।

 ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও সরকার সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, আগামী দুই-চার দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে সরকার আরও কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে অগ্রসর হবে। বিএনপি-জামায়াতের টানা অবরোধ হরতাল চলাকালে বোমা হামলা ও আগুনে পুড়ে ইতোমধ্যেই ১৯ জনের মতো প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। এ পরিস্থিতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে আর বেশি কালক্ষেপণ করবে না সরকার।

জানা গেছে, আগামী ১৮ জানুয়ারি শেষ হবে দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমা। বিশ্ব ইজতেমার কারণে কিছুটা ধৈর্যে্যর সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে বিশেষ অভিযান চালানোর বিষয়টিও সরকারের চিন্তা-ভাবনায় রয়েছে বলে ওই সূত্রগুলো জানিয়েছে।

গত বছর ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নির্বাচনের পর সরকার এ ধরনের বিশেষ অভিযান চালিয়েছিলো।

আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা ও মন্ত্রী বাংলানিউজকে জানান, পরিস্থিতি যে অবস্থায় এসেছে সেখান থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারের পিছু হটা বা নরম হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এখন যে পদক্ষেপই সরকার নেবে সেটা সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান থেকেই নেয়া হবে। তবে চলমান পরিস্থিতি দ্রুতই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা সম্ভব হবে বলেও তারা জানান।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ১৪ দলের সভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও দ্রুতই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন।

সভায় উপস্থিত একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ সভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। কিছু কিছু জেলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। দ্রুতই সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন। পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি এ ব্যাপারে ১৪ দলের সহযোগিতাও চেয়েছেন।

এদিকে সরকার সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, বোমাবাজি, যানবাহনে আগুন দেয়াসহ বিভিন্ন স্থানে কারা নাশকতা চালাচ্ছে, কোথা থেকে নাশকতা চালানো হচ্ছে, এর পেছনে কারা রয়েছে সে সব বিষয়ে সরকার খোঁজ খবর নিচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দ্রুতই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হবে। ১৪ দলের সভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীও এ বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সূত্র জানায়, সভায় তিনি (স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী) বলেছেন, এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অনেককেই চিহ্নিত করা হয়েছে। দ্রুতই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বার বার বলেছেন, ‘মানুষের জানমাল রক্ষা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যা প্রয়োজন তাই করা হবে। হরতাল অবরোধের নামে সন্ত্রাস, বোমাবাজি বন্ধ করুন, আগুন নিয়ে খেললে নিজের হাতই পুড়ে যাবে।’

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরে আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বার বার তাদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন বিএনপিকে সরে আসার সময় দেয়ার জন্য। সরকার কঠোর অবস্থানে যাওয়ার আগে বিএনপিকে যথেষ্ট সময় দিয়েছে।

বিএনপির-জামায়াতের লাগাতার হরতাল-অবরোধে যানবাহনে আগুন, সন্ত্রাস, বোমাবাজিসহ সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর হচ্ছে সরকার।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীকে বিশেষ অভিযান নামানো হতে পারে বলে জানা গেছে।

 ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও সরকার সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, আগামী দুই-চার দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে সরকার আরও কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে অগ্রসর হবে। বিএনপি-জামায়াতের টানা অবরোধ হরতাল চলাকালে বোমা হামলা ও আগুনে পুড়ে ইতোমধ্যেই ১৯ জনের মতো প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। এ পরিস্থিতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে আর বেশি কালক্ষেপণ করবে না সরকার।

জানা গেছে, আগামী ১৮ জানুয়ারি শেষ হবে দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমা। বিশ্ব ইজতেমার কারণে কিছুটা ধৈর্যে্যর সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে বিশেষ অভিযান চালানোর বিষয়টিও সরকারের চিন্তা-ভাবনায় রয়েছে বলে ওই সূত্রগুলো জানিয়েছে।

গত বছর ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নির্বাচনের পর সরকার এ ধরনের বিশেষ অভিযান চালিয়েছিলো।

আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা ও মন্ত্রী জানান, পরিস্থিতি যে অবস্থায় এসেছে সেখান থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারের পিছু হটা বা নরম হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এখন যে পদক্ষেপই সরকার নেবে সেটা সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান থেকেই নেয়া হবে। তবে চলমান পরিস্থিতি দ্রুতই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা সম্ভব হবে বলেও তারা জানান।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ১৪ দলের সভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও দ্রুতই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন।

সভায় উপস্থিত একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ সভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। কিছু কিছু জেলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। দ্রুতই সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন। পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি এ ব্যাপারে ১৪ দলের সহযোগিতাও চেয়েছেন।

এদিকে সরকার সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, বোমাবাজি, যানবাহনে আগুন দেয়াসহ বিভিন্ন স্থানে কারা নাশকতা চালাচ্ছে, কোথা থেকে নাশকতা চালানো হচ্ছে, এর পেছনে কারা রয়েছে সে সব বিষয়ে সরকার খোঁজ খবর নিচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দ্রুতই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হবে। ১৪ দলের সভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীও এ বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সূত্র জানায়, সভায় তিনি (স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী) বলেছেন, এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অনেককেই চিহ্নিত করা হয়েছে। দ্রুতই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বার বার বলেছেন, ‘মানুষের জানমাল রক্ষা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যা প্রয়োজন তাই করা হবে। হরতাল অবরোধের নামে সন্ত্রাস, বোমাবাজি বন্ধ করুন, আগুন নিয়ে খেললে নিজের হাতই পুড়ে যাবে।’

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরে আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বার বার তাদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন বিএনপিকে সরে আসার সময় দেয়ার জন্য। সরকার কঠোর অবস্থানে যাওয়ার আগে বিএনপিকে যথেষ্ট সময় দিয়েছে।

Comments

comments