ব্রেকিং নিউজ

চাটখিলের প্রবাসী রাসেল উপকার করতে গিয়ে সৌদি আরব থেকে বিতারিত


কামরুল কাননঃ  সৌদি প্রবাসী তরুন ব্যবসায়ী রাসেদ বিন ইমরান রাসেলের অভিযোগ করেছেন যে আব্দুল মান্নানকে তিনি পথ থেকে তুলে এনে নিজের দোকানে ভালো চাকুরী দিয়েছেন নিজের আপন ভাইয়ের মত জেনেছেন সেই মান্নানই তার জীবনের জন্য কাল বয়ে আনবে তিনি তা স্বপ্নেও ভাবেননি কখনো।অভিযুক্ত আবুল মান্ননের বাড়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় । আর রাসেলের বাড়ি নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার ছোটজীবনগরে। রাসেল জানান, তিনি দীর্ঘ দিন থেকে সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন। রিয়াদে তার একটি কম্পিউটার যন্ত্রাংশ বিক্রির দোকান ছিল। এরই মধ্যে গত কয়েক বছর পূর্বে রিয়াদের পথে পথে হেটে ফেরিওয়ালা মান্নানের সাথে তার পরিচয় হয় এবং তার প্রতি রাসেলের করুনা হয়। অতঃপর সে মান্নান কে তার দোকানে চাকুরী দেয় এবং তাকে বিশ্বাস করে প্রচণ্ড ভাবে। কিন্তু রাসেলের সরলতাকে কাজে লাগিয়ে মান্নান তার দোকানটি দখল করে নিয়ে রাসেলকেই সৌদিআরব থেকে বিতারিত করে দেয়। রাসেল কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, মান্নান আমাকে জানায় সে সাত বছর থেকে অবৈধ ভাবে সউদিতে আছে তার কোন কাগজ পত্র নেই। তারপর আমি তাকে অনেক কষ্ট করে কাগজ পত্র তৈরি করতে সাহায্য করে তাকে বৈধ করি। রাসেল ারও বলেন, তিনি গত কয়েক মাস আগে দেড় মাসের ছুটিতে দেশে আসেন। আসার সময় মান্নান কে দোকানের চাবি দিয়ে আসেন । ছুটি শেষে তিনি রিয়াদে গিয়ে দেখেন মান্নান তার সাথে কোন আলাপ আলোচনা ছাড়াই সেও দেশে চলে গেছে। রাসেল দোকান খুলে দেখেন তার প্রায় ৬ লক্ষ রিয়ালের মাল নেই এছাড়া তার নামে ভিবিন্ন ভাবে ৪০ হাজার রিয়েলের মালামাল বাকী করা হয়। তা দেখে রাসেলের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। তিনি নানা ভাবে ঋণে জরজরিত হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে দেনাদারদের চাপে রাসেল সৌদি আরব ছাড়তে বাধ্য হন বলেও তিনি জানান। রাসেল দেশে এসে যখন মান্নানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে ভিবিন্ন আইনী পরামর্শ করছেন ঠিক তখনি তিনি জানতে পারেন মান্নান উল্টো কতিপয় বাংলাদেশি অনলাইন পত্রিকায় রাসেলকে জড়িয়ে ভিবিন্ন মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করাচ্ছে। রাসেল প্রতারক মান্নানের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করেছেন।

Comments

comments