ব্রেকিং নিউজ

চুল পড়ার কারণগুলো

63156বিডি এক্সপ্রেসঃ বয়স বাড়ার সঙ্গে চুল পড়ার পরিমাণও বৃদ্ধি পেতে পারে। অনেকের ধারণা চুল পড়ে মাথার উপরে ফাঁকা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা শুধু পুরুষদের ক্ষেত্রেই রয়েছে, এটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন একটি ধারণা। নারীদের ক্ষেত্রেও এটি সত্যি হতে পারে।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে চুল পড়ার কিছু সাধারণ কারণ উল্লেখ করা হয় যেগুলো বেশিরভাগ মানুষেরই অজানা। সেই কারণগুলোই এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হলো।

জন্ম বিরতিকরণ পিল

চুল পড়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক চর্মবিশেষজ্ঞ ড. পিলিয়াং বলেন, “পুরুষদের শরীরে কিছু পুরুষালী হরমোন রয়েছে যা চুল পড়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে। অন্য দিকে মেয়েদের মধ্যে যারা জন্ম বিরতিকরণ পিল সেবন করেন তাদের চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। কারণ পিলে প্রজেস্টেরন-জাতীয় হরমন থাকে যার প্রভাবে চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।”

তাই এ ধরনের সমস্যায় চুল পড়া বন্ধ করতে চাইলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তাছাড়া চুল পড়ার সমস্যা বংশগতও হতে পারে।

চুল পড়া স্খায়ী কোন সমস্যা নয়

অনেকেই মনে করেন চুল একবার পড়ে গেলে সেখানে আর চুল গজানোর কোনো সম্ভাবনাই নেই। তবে এটি পুরোপুরি সত্যি নয়। সন্তান জন্ম দেওয়ার পর বেশিরভাগ মেয়েরই চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। কারণ ওই সময় শরীরে হরমোনের ভারসাম্যে পরিবর্তন আসে। তবে একটা সময় পর ওই সমস্যা কমে আসে এবং নতুন চুল গজাতে শুরু করে।

তাছাড়া শরীরে আয়রন ও জিঙ্কের ঘাটতি হলেও চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে। আর মেয়েদের শরীরে পুষ্টির অভাব হওয়ার সম্ভাবনা পুরুষদের চাইতে বেশি। আর এই দুটি উপাদানই সুস্থ ও সুন্দর চুলের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান। তাই এক্ষেত্রে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।

দুশ্চিন্তার কারণে বাড়তে পারে চুল পড়া

অফিসে কাজের বাড়তি চাপ বা পারিবারিক দ্বন্দ্ব মানসিক চাপের অন্যতম কারণ। আর অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তার কারণে চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। তাছাড়া শরীরে অন্য কোন ধরনের অস্ত্রোপচার বা বড় ধরনের অসুখ হলেও শরীরের হরমোনের ভারসাম্যে পরিবর্তন আসে আর সে কারণেও চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।

বয়স বাড়ার সঙ্গে চুল পড়ার পরিমাণও বৃদ্ধি পেতে পারে। অনেকের ধারণা চুল পড়ে মাথার উপরে ফাঁকা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা শুধু পুরুষদের ক্ষেত্রেই রয়েছে, এটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন একটি ধারণা। নারীদের ক্ষেত্রেও এটি সত্যি হতে পারে।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে চুল পড়ার কিছু সাধারণ কারণ উল্লেখ করা হয় যেগুলো বেশিরভাগ মানুষেরই অজানা। সেই কারণগুলোই এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হলো।

জন্ম বিরতিকরণ পিল

চুল পড়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক চর্মবিশেষজ্ঞ ড. পিলিয়াং বলেন, “পুরুষদের শরীরে কিছু পুরুষালী হরমোন রয়েছে যা চুল পড়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে। অন্য দিকে মেয়েদের মধ্যে যারা জন্ম বিরতিকরণ পিল সেবন করেন তাদের চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। কারণ পিলে প্রজেস্টেরন-জাতীয় হরমন থাকে যার প্রভাবে চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।”

তাই এ ধরনের সমস্যায় চুল পড়া বন্ধ করতে চাইলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তাছাড়া চুল পড়ার সমস্যা বংশগতও হতে পারে।

চুল পড়া স্খায়ী কোন সমস্যা নয়

অনেকেই মনে করেন চুল একবার পড়ে গেলে সেখানে আর চুল গজানোর কোনো সম্ভাবনাই নেই। তবে এটি পুরোপুরি সত্যি নয়। সন্তান জন্ম দেওয়ার পর বেশিরভাগ মেয়েরই চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। কারণ ওই সময় শরীরে হরমোনের ভারসাম্যে পরিবর্তন আসে। তবে একটা সময় পর ওই সমস্যা কমে আসে এবং নতুন চুল গজাতে শুরু করে।

তাছাড়া শরীরে আয়রন ও জিঙ্কের ঘাটতি হলেও চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে। আর মেয়েদের শরীরে পুষ্টির অভাব হওয়ার সম্ভাবনা পুরুষদের চাইতে বেশি। আর এই দুটি উপাদানই সুস্থ ও সুন্দর চুলের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান। তাই এক্ষেত্রে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।

দুশ্চিন্তার কারণে বাড়তে পারে চুল পড়া

অফিসে কাজের বাড়তি চাপ বা পারিবারিক দ্বন্দ্ব মানসিক চাপের অন্যতম কারণ। আর অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তার কারণে চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। তাছাড়া শরীরে অন্য কোন ধরনের অস্ত্রোপচার বা বড় ধরনের অসুখ হলেও শরীরের হরমোনের ভারসাম্যে পরিবর্তন আসে আর সে কারণেও চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।বয়স বাড়ার সঙ্গে চুল পড়ার পরিমাণও বৃদ্ধি পেতে পারে। অনেকের ধারণা চুল পড়ে মাথার উপরে ফাঁকা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা শুধু পুরুষদের ক্ষেত্রেই রয়েছে, এটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন একটি ধারণা। নারীদের ক্ষেত্রেও এটি সত্যি হতে পারে।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে চুল পড়ার কিছু সাধারণ কারণ উল্লেখ করা হয় যেগুলো বেশিরভাগ মানুষেরই অজানা। সেই কারণগুলোই এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হলো।

জন্ম বিরতিকরণ পিল

চুল পড়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক চর্মবিশেষজ্ঞ ড. পিলিয়াং বলেন, “পুরুষদের শরীরে কিছু পুরুষালী হরমোন রয়েছে যা চুল পড়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে। অন্য দিকে মেয়েদের মধ্যে যারা জন্ম বিরতিকরণ পিল সেবন করেন তাদের চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। কারণ পিলে প্রজেস্টেরন-জাতীয় হরমন থাকে যার প্রভাবে চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।”

তাই এ ধরনের সমস্যায় চুল পড়া বন্ধ করতে চাইলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তাছাড়া চুল পড়ার সমস্যা বংশগতও হতে পারে।

চুল পড়া স্খায়ী কোন সমস্যা নয়

অনেকেই মনে করেন চুল একবার পড়ে গেলে সেখানে আর চুল গজানোর কোনো সম্ভাবনাই নেই। তবে এটি পুরোপুরি সত্যি নয়। সন্তান জন্ম দেওয়ার পর বেশিরভাগ মেয়েরই চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। কারণ ওই সময় শরীরে হরমোনের ভারসাম্যে পরিবর্তন আসে। তবে একটা সময় পর ওই সমস্যা কমে আসে এবং নতুন চুল গজাতে শুরু করে।

তাছাড়া শরীরে আয়রন ও জিঙ্কের ঘাটতি হলেও চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে। আর মেয়েদের শরীরে পুষ্টির অভাব হওয়ার সম্ভাবনা পুরুষদের চাইতে বেশি। আর এই দুটি উপাদানই সুস্থ ও সুন্দর চুলের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান। তাই এক্ষেত্রে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।

দুশ্চিন্তার কারণে বাড়তে পারে চুল পড়া

অফিসে কাজের বাড়তি চাপ বা পারিবারিক দ্বন্দ্ব মানসিক চাপের অন্যতম কারণ। আর অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তার কারণে চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। তাছাড়া শরীরে অন্য কোন ধরনের অস্ত্রোপচার বা বড় ধরনের অসুখ হলেও শরীরের হরমোনের ভারসাম্যে পরিবর্তন আসে আর সে কারণেও চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।

Comments

comments